• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

জোড়া গোল করেও দলকে জেতাতে পারলেন না হালান্ড

Reporter Name / ১০৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ বেশ কিছুদিন ধরেই দারুণ ফর্মে রয়েছেন আর্লিং ব্রট হালান্ড। প্রিমিয়ার লিগে নিজের শেষ ম্যাচে করেছিলেন হ্যাটট্রিক। সেই ফর্ম টেনে নিয়ে এলেন চ্যাম্পিয়নস লিগেও, করলেন জোড়া গোল। তবুও দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি। ইউসিএলে প্রথম পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে বুধবার মোনাকোর মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে ম্যানচেস্টার সিটি।

সিটিজেনদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন হালান্ড। অন্যদিকে জর্ডান টেজে মোনাকোকে প্রথমবার সমতায় ফেরানোর পর শেষ দিকে স্বাগতিকদের ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন এরিক ডায়ার। এতে দুই ম্যাচে একটি করে জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে আছে সিটি। ১ পয়েন্ট নিয়ে ৩০ নম্বরে মোনাকো।

হালান্ডের দারুণ গোলে ম্যাচের ১৫তম মিনিটেই এগিয়ে যায় সিটি। জাস্কো ভার্দিওলের উঁচু করে বাড়ানো বল ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে বুদ্ধিদ্বীপ্ত শটে গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে জালে জড়ান নরওয়ে তারকা। তিন মিনিট পর চমৎকার এক গোলে সমতায় ফেরে মোনাকো। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ডাচ ডিফেন্ডার জর্ডান টেজে।

প্রথমার্ধে গোলের জন্য এই একটি শটই নিতে পারে মোনাকো। বিপরীতে এই সময়ে ৭০ শতাংশের বেশি সময় পজেশন রেখে ১০টি শট নেয় সিটি, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। বিরতির আগের শেষ প্রচেষ্টায় ৪৪তম মিনিটে দলকে ফের এগিয়ে নেন হালান্ড। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের বাড়ানো ক্রসে দারুণ হেডে গোলটি করেন তিনি।

চলতি আসরে এ নিয়ে দুই ম্যাচে তিনটি গোল করলেন হালান্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন হালান্ডের মোট গোল ৫২টি। মাত্র ৫০ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছেন নরওয়ের তারকা। ৭৩তম মিনিটে ম্যানসিটির ডাচ মিডফিল্ডার টিজানি রেইডার্সের শট ক্রসবারে প্রতিহত হয়। ব্যবধান নুন্যতম হলেও জয়ের পথে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিল সিটি। কিন্তু শেষদিকে গিয়ে সব এলোমেলো হয়ে যায়।

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের এরিক ডায়ারকে ফাউল করে বসেন গন্সালেস। অনেকটা বিলম্বের পর ভিএআর মনিটরে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। নিজেই স্পট কিক নিয়ে সমতা টানেন এই ইংলিশ ডিফেন্ডার। বাকি সময়ে গোলের জন্য দুটি শট নিলেও ব্যবধান আর গড়তে পারেনি ম্যানচেস্টার সিটি। ফলে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।