• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল

যাচ্ছিলেন রোগী দেখতে; সড়কেই প্রাণ গেলো এক পরিবারের ৫ নারীসহ ৬ জনের

Reporter Name / ১২৪ Time View
Update : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ নাটোরের বনপাড়া হাটিকুমরুল মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনই নারী।

বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে সাড়ে ১০টায় উপজেলার আইড়মারী ব্রিজের পাশে শ্রীরামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- একই পরিবারের সদস্য ইতি খাতুন (৪০), জাহিদুল ইসলাম (৬০), আঞ্জুমান (৭৫), সেলিম (৬০), আন্না খাতুন (৬০), আনু বেগম (৫৫), শিমা খাতুন (৩৫) ও মাইক্রোবাসচালক সাহাবুদ্দিন (৩৫)। তাদের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়ি ইউনিয়নের ধর্মদহ গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শী নাজিম উদ্দিন নান্নু জানান, ঢাকা থেকে রাজশাহী অভিমুখে যাওয়া একটি ট্রাক বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের তরমুজ তেলপাম্প এলাকায় পৌঁছলে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালকসহ পাঁচজন মারা যান।

বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডলি রানী বলেন, আহত অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং বাকি দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দুজন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। তবে ঘটনাস্থলে পাঁচজন, স্থানীয় হাসপাতালে একজন ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুজন মারা যান। দুর্ঘটনার কারণে সৃষ্টি হওয়া যানজট নিরসন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।