• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল

জিলাপিকাণ্ডে প্রত্যাহার হওয়া ওসিকে ফেরাতে বিএনপির মিছিলii

Reporter Name / ১৭৭ Time View
Update : বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৫

‘সবকিছুই সম্ভব’ এই কথাটাই বলেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ কার্লো আনচেলত্তি, গত সপ্তাহে এমিরেটস স্টেডিয়ামে আর্সেনালের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর। কথাটা যতই পুরনো হোক, চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল মাদ্রিদের নামের পাশে দাঁড়ালে সেটা কিভাবে যেন সত্যি হয়ে যায়।

কিন্তু এবার…? ৩-০ ব্যবধান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইউরোপের মঞ্চে ফেরার ইতিহাস তাদের আছে মাত্র একবার। ডেক্লান রাইসের অবিশ্বাস্য দুটি ফ্রি-কিক আর মিকেল মেরিনোর দুর্দান্ত গোলে প্রথম লেগেই কার্যত এগিয়ে গেছে আর্সেনাল।

আনচেলত্তি নিজেই বললেন, ‘দেখলে মনে হবে কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে ফুটবলে সবকিছু সম্ভব। সম্ভাবনা কম, কিন্তু আমরা শতভাগ চেষ্টা করব।’

ইতিহাসও কিন্তু রিয়ালের পক্ষে নয়। পিছিয়ে পড়া রিয়াল মাদ্রিদ মানেই কামব্যাক। পিএসজি, ম্যানচেস্টার সিটি বা চেলসির মতো দলও এই ‘বার্নাব্যু ম্যাজিক’-এর শিকার। তবে এত বড় ব্যবধান থেকে ফেরার গল্পটা বিরল।

১৯৭৫-৭৬ মৌসুমে ডার্বি কাউন্টির কাছে প্রথম লেগে ৪-১ গোলে হেরে দ্বিতীয় লেগে ৫-১ জিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল তারা। চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে ৩ বা তার বেশি গোলে পিছিয়ে থাকা দল মাত্র চারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

বার্সেলোনার ‘লা রেমনতাদা’ হয়তো মনে আছে — ২০১৭ সালে পিএসজিকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়া সেই ঐতিহাসিক রাত। রিয়ালের সাম্প্রতিক লড়াইয়ে এবং ফর্মে সেই রকম গল্পের ইঙ্গিত আপাতত অনুপস্থিত।

এদিকে আর্সেনালের সামনেও রয়েছে সুখস্মৃতি। প্রথম লেগে তিন গোলে এগিয়ে থাকা ইংলিশ দলগুলোর অতীতে এগিয়ে যাওয়ার রেকর্ড একশ শতাংশ। আরও বড় কথা, রিয়ালের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত আর্সেনাল অপরাজিত। ৩ ম্যাচে ২ জয়, ১ ড্র — আর মজার ব্যাপার, কোনো গোলও খায়নি।

তবু আশা ছাড়েননি বেলিংহ্যাম। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ইংলিশ তারকা জুড বেলিংহ্যাম জানালেন, ‘এমন রাত রিয়াল মাদ্রিদের জন্যই তৈরি। ইতিহাস গড়ার, পরিচিত জায়গায় পরিচিত গল্প লিখতে পারার রাত। আমরা বিশ্বাস করি।”

আর গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়া বললেন, ‘প্রথম ২০ মিনিটেই যদি ১-২ গোল পাই, তাহলে সব সম্ভব।’

বার্নাব্যুর বাতাসে এখনো বাজছে সেই পুরনো সুর — ‘অবিশ্বাস্যকেও বাস্তবে রূপ দেয় রিয়াল।’ তবে এবার কি সত্যিই ইতিহাসের ভারে চাপা পড়বে আনচেলত্তির শিষ্যরা? নাকি আরও একবার ‘রিয়াল ম্যাজিক’ দেখবে ফুটবল বিশ্ব? উত্তর আসছে বুধবার রাতেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।