• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

আইবিসিএফের চেয়ারম্যান হলেন মোহাম্মদ আবদুল মান্নান

Reporter Name / ১৯১ Time View
Update : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মান্নান ইসলামিক ব্যাংকস কনসালটেটিভ ফোরামের (আইবিসিএফ) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খাজা শাহরিয়ারকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে আইবিসিএফের নতুন কমিটি হয়েছে।

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) আইবিসিএফের ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম নূরুল ফজল বুলবুলের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ৬৪তম সভায় এ কমিটি গঠিত হয়। সভায় ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মু. ফরীদ উদ্দীন আহমদ ও এক্সিম ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এ কে এম নূরুল ফজল বুলবুলকে উপদেষ্টা করা হয়।

আইবিসিএফ টাস্ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের (পিএলসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা এবং কো-চেয়ারম্যান হিসেবে এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম খলিফা আইবিসিএফেরন অনারারি সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করবেন।

সভায় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ইসলামী ব্যাংকগুলোর অতীত গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা স্মরণ এবং সাম্প্রতিক তারল্য সংকট সৃষ্টির কারণ পর্যালোচনা করা হয়। ইসলামী ব্যাংকগুলোর প্রতি দেশের বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের দৃঢ় আস্থার কথা স্মরণ করা হয়। সেই আস্থা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়। বিভিন্ন বাংকের সাম্প্রতিক তারল্য সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিবাচক পদক্ষেপকে ইসলামী ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা স্বাগত জানান।

সভায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম সাদিকুল ইসলাম, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুস, যমুনা ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান সরকার, এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক মো. নুরুল আমিন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম শাহনেওয়াজ (চলতি দায়িত্ব), আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাদিম, ব্যাংক এশিয়ার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম ইকবাল হোসাইন এবং আইবিসিএফ-এর সহকারী সচিব জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও বিভিন্ন সদস্যভুক্ত ব্যাংকের নির্বাহীরা অংশগ্রহণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।