• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শনে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি দল রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে নগরীর হরিজন পল্লী এলাকার ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কাজ শুরু দিল্লি ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্টার্ক রাজশাহীতে নতুন জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম আগামী তিন মাসে যেকোনো বারের তুলনায় বাড়বে রাজস্ব আয়: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার

কাজী নাবিল: বাজেটের ফলে মূল্যস্ফীতিতে ভুগতে থাকা মানুষ স্বস্তি পাবে

Reporter Name / ১৯২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০২৪

প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে যে সংকোচন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে তাতে মূল্যস্ফীতিতে ভুগতে থাকা মানুষ স্বস্তি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় অর্থমন্ত্রী যে বাজেট দিয়েছেন তা মানুষকে স্বস্তি দিতে সক্ষম হবে।

বুধবার (২৬ জুন) প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি কাজী নাবিল বলেন, বাজেট কেবল ইনকাম স্টেটমেন্ট নয়, এখানে পয়েন্ট অব প্রিন্সিপ্যাল থাকে। সরকারের যে নীতি ও আদর্শ এবং নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিফলন ঘটে জাতীয় বাজেটে।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবারের বাজেট প্রণীত হয়েছে উল্লেখ করে কাজী নাবিল বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক যে পরিস্থিতি সারা পৃথিবী মোকাবিলা করছে, শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা তা মোকাবিলা করে আসছি। কোভিড মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত যে পরিস্থিতি, সেই পরিপ্রেক্ষিতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সুবিবেচনাপ্রসূত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে বাজেটে সংকোচনমূলক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এটা প্রতি বছর ১০ শতাংশ হারে বর্ধিত করা হতো। এবার তা হয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ হারে। এর মাধ্যমে আমাদের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করা যায়।

কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অগ্রিম করের হার অর্ধেক করা হয়েছে। এটি বাজেটে অন্যতম একটি ইতিবাচক দিক। চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজসহ ৩০টি নিত্যপণ্যের ওপর কর দুই শতাংশের পরিবর্তে এক শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতিতে ভুগতে থাকা মানুষ স্বস্তি পারে।

তিনি  বলেন, এবার এডিপিতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত সর্বোচ্চ ৫টি খাতের মধ্যে উঠে এসেছে। এবার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ৮ দশমিক ১ শতাংশ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতে বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। করপোরেট কর এবার বাজেটে কমানো হয়েছে। আইসিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ১৩টি খাতে পরবর্তী তিন বছরের জন্য কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা এ খাতের উদ্যোক্তাদের স্বস্তি দেবে।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য করপোরেট কর কমানো হয়েছে। কর ও জিডিপির আনুপাতিক হারের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যেগুলোর কর কম, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম।

সরকারি দলের এই এমপি বলেন, প্রতি বছর আমাদের জিডিপি বাড়ছে। ২০০৯ সালের ৬০ বিলিয়ন ডলার থেকে বর্তমানে ৪৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের ট্যাক্স নেট বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানো দরকার। আরও বেশি মানুষকে করজালের আওতায় আনা দরকার। এ ক্ষেত্রে দেখতে হবে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর যেন করের বোঝা না পড়ে। ভ্যাটনীতি সুষম করা প্রয়োজন। প্যাকেজ ভ্যাটের পরিবর্তে পণ্যভিত্তিক প্রত্যক্ষ কর আদায় করা দরকার। এর সঠিক পরিসংখ্যানও রাখা দরকার।

তিনি বলেন, আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে। আমরা অর্থনীতির দিক থেকে সঠিক পথেই আছি। এ বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করতে পারলে অর্থমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে আশা করি। এটা সম্ভব হলে উন্নয়নমূলক কাজগুলোও অর্থবহ করা যাবে।

নিজের নির্বাচনি এলাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরণের কাজ চলমান আছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাবো, এতে অর্থায়ন যেন অব্যাহত থাকে। এ কাজ যেন আমরা যথাসময়ে সমাপ্ত করতে পারি। প্রধানমন্ত্রী যশোর স্টেডিয়ামকে আধুনিকায়ন করে আরও পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা যেন দেশের পুরনো জেলার এই স্টেডিয়ামকে আরও ‍সুন্দর করতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।