• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

জ্বর আর গলা ব্যথায় ভুগেছেন মেসি চিলির বিপক্ষে খেলার আগে

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

 এখন মেসির ইনজুরি। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই সাইডলাইনে কিছুক্ষণের জন্য মেডিক্যাল টিমের দ্বারস্থ হতে হয় তাকে। সেবা নিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মাঠে ফিরে সম্পূর্ণ ম্যাচটা শেষ করেছেন।

মেসি গোলের সুযোগ তৈরি করেন ৩৬ মিনিটে। সেটি গিয়ে আঘাত করে পোস্টে। ম্যাচের পর জানিয়েছেন অস্বস্তির কথা। সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে না পারার কারণ হিসেবে শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টিকেই সামনে এনেছেন তিনি, ‘বেশ কিছুদিন গলা ব্যথা ও জ্বরে ভোগার পর খেলতে নেমেছি। মনে হয় এই বিষয়টা খেলায় প্রভাব ফেলেছে। ইনজুরির কথা বললে এটা পুরোনো কিছু নয়। এটা মূলত মাসল স্প্যাজম।’

প্রথমার্ধে কড়া ট্যাকলের শিকার হয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। যে কারণে ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যাতেও ভোগেন। ২৪ মিনিটে গাব্রিয়েল সুয়াজোর লাথির পর প্রায় দুই মিনিটের মতো ডান পায়ের ঊঁরুতে মেডিক্যাল টিমের সেবা নেন তিনি।  তবে বিষয়টা খুব গুরুতর- সেটা শোনা যায়নি তার কথায়, ‘ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তিতে ভুগেছি। সেটা ছিল শুরুতে। জায়গাটা শক্ত হয়ে আসছিল। কিন্তু সেটা শিথিল থাকার কথা। তার পরেও আমি ম্যাচটা শেষ করতে পেরেছি। এখন দেখা যাক সামনে বিষয়টা কতদূর গড়ায়।’

গোল না পেলেও কাতার বিশ্বকাপজয়ী অনন্য কীর্তি গড়েছেন এই ম্যাচে। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ১২বার গ্রুপ পর্বের বাধা পার করেছেন। গ্রুপ পর্বে আগামী রবিবার তাদের শেষ ম্যাচ। প্রতিপক্ষ পেরু।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।