• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

কাঞ্চন পৌরসভার ভোট উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে রূপগঞ্জের

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

উৎসবমুখর পরিবেশে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার (২৬ জুন) সকাল ৮টা থেকে ১৯টি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

সরেজমিনে সলিম উদ্দিন চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, কাঞ্চন ভারতচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় ও হাটাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। অনেকে আবার অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলেও শোনা গেছে।

সকালে সলিম উদ্দিন চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনের জগ প্রতীকে মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক। তিনি বলেন, ‘গরম ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। এতে পরিষ্কার হয়ে গেছে পরিবেশ এখনও উৎসবমুখর রয়েছে। আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর ভোটারদের জন্য কাজ করেছি, এ কারণে ভোটাররা আমাকে ভালোবাসে। আমি আশা করি, জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।’

বহিরাগতরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বহিরাগতদের নির্বাচনি এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশনা রয়েছে। অথচ বহিরাগতরা এখনও নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করছেন। এতে করে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। কোথাও কোনও অভিযোগ নেই। ১৯টি কেন্দ্রের ১৩টি ভেন্যুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। বিজিবি, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাসহ ম্যাজিস্ট্রেট টিম কাজ করছে।

প্রসঙ্গত, কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে দুই জন মেয়র প্রার্থীসহ কাউন্সিলর পদে ৩৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদে জগ প্রতীকের রফিকুল ইসলাম রফিকের সঙ্গে মোবাইল ফোন প্রতীকের প্রার্থী দেওয়ান আবুল বাশার বাদশার ভোটের লড়াই চলছে। কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ৯টি ওয়ার্ডে ৩৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে  প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চার জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।