• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

যা বললেন শান্ত সহজ ম্যাচ কঠিন করে জেতার পর

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১২৫ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতেছে। অথচ বোলারদের কল্যাণে ম্যাচটি সহজ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত কোনওরকমে জিততে পেরেছে বাংলাদেশ। টপ অর্ডার ব্যাটারদের হতশ্রী পারফরম্যান্সের দায় স্বীকার করে নিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেছেন, ‘এমন উইকেটে আমাদের সহজেই ম্যাচটা জেতা উচিত ছিল। কিন্তু ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা ভালো করিনি।’

টপ অর্ডার ব্যাটারদের মধ্যে লিটন তুলনামূলক ভালো করেছেন। ২৮ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারানোর পর তাওহীদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে লিটন গড়েন ৬৩ রানের জুটি। ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৬ রান করেন লিটন। এই উইকেট কিপার ব্যাটারের ব্যাটিং নিয়ে শান্ত বলেছেন, ‘লিটন কয়েকটা সিরিজ ধরেই স্ট্রাগল করছিল কিন্তু আজ ও নিজের স্কিল দেখিয়ে দিয়েছে। এটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

এদিকে, ব্যাট হাতে ২০ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস উপহার দেওয়া তাওহীদ হৃদয়ের প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক। তার কথা, ‘খুবই সাহসী ইনিংস খেলেছে হৃদয়। ওর ইনিংসটাই আমাদের জেতাতে সাহায্য করেছে।’

ব্যাটিংয়ে হতশ্রী পারফরম্যান্স এলেও বোলিং-ফিল্ডিংয়ে অসাধারণ ছিল না বাংলাদেশ। নিজেদের বোলিং নিয়ে অধিনায়ক বলেছেন, ‘শেষ ১০-১৫ দিন এ নিয়ে আমরা পরিকল্পনা সাজিয়েছি। আজ মাঠে আমাদের শারীরিক ভাষা দুর্দান্ত ছিল। মনে হয় আমরা নিজেদের ১২০ শতাংশ দিতে পেরেছি। ফিল্ডাররাও দারুণ দায়িত্ব পালন করেছেন আজ


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।