• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

সংখ্যাগরিষ্ঠতার অর্থ কি ভারতের ভবিষ্যত নির্ধারণে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ?

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪

ভারতের কিছু এক্সিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এবারের নির্বাচনের ফলাফলে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারেন মোদি ও তার দল ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপি। এমনটি হলে ২০১৯ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার আরও শক্তিশালী বিজয় অর্জন করবেন তারা। তবে বিজেপি যদি এমন একটি ঐতিহাসিক জয় অর্জন করে তাহলে ভারতের ভবিষ্যতে এর প্রভাব ও পরিণতি কি হতে পারে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অনেকেই আশঙ্কা করছেন, সংসদে দুই ‍তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ভারতের সংবিধান সংশোধনের ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে সক্ষম হবে বিজেপি। এই সংবিধানে বর্তমানে ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে সব ধর্মকে সমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তবে এক দশক ধরে ভারতের ক্ষমতায় থাকাকালীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী এজেন্ডা অনুসরণ করেছেন মোদি ও তার দল বিজেপি। হিন্দু জাতীয়তাবাদ এমন একটি আদর্শ প্রকল্প যেটি মনে করে, ধর্মনিরপেক্ষ নয়, বরং ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হওয়া উচিত।

বিরোধীরা বলছেন, বিজেপি আবারও ক্ষমতায় এলে তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতার অনুচ্ছেদগুলো চিরতরে মুছে ফেলা। বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের জন্য ভারতকে পুনর্নির্মাণের নাম করে এ কাজটি করবে তারা।

সংবিধান পরিবর্তনের পরিকল্পনা করার এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোদি। তবে নির্বাচনি প্রচারের সময় বেশ কয়েকজন বিজেপি প্রার্থী হিন্দু জাতির রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে রক্ষার জন্য সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।