• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

নিহত ১ ত্রাণ না পেয়ে নারী ইউপি সদস্যের স্বজনদের উপর হামলা

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তরা স্থানীয় নারী ইউপি সদস্যের কাছ থেকে খাদ্য সহায়তা না পেয়ে তার স্বজনদের উপর হামলা করেছে। এতে ওই নারী ইউপি সদস্যের দেবর মো. আব্দুর রব নিহত হয়েছেন।

নিহত রব উপজেলার উত্তর নিলতী গ্রামের মৃত মকবুল হাওলাদারের ছেলে। পেশায় কাঠমিস্ত্রি রবের স্ত্রী এবং চার সন্তান রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালে গাছ পড়ে তার ঘরটিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলার চিড়াপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য খাদিজা বেগম জানান, তিনি পিরোজপুর- ২ আসনের সংসদ সদস্য মো. মহিউদ্দিন মহারাজের কাছ থেকে তার আওতাধীন তিনটি ওয়ার্ডে বিতরণের জন্য ৩০ প্যাকেট খাদ্য সহায়তা পেয়েছিলেন এবং সেগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করেন। তবে তার এলাকার সঞ্জয় ঘোষ, সঞ্জিব ঘোষ, শিশির ঘোষ, সলেমান সরদার, হুমায়ুন মাঝি, কমল পাটিকর, দিলিপ পাটিকর এবং দীপক পাটিকর খাদ্য সহায়তা না পেয়ে তার উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং তাকে গত শনিবার দুপুরে গালমন্দ করে। পরবর্তী সময়ে তারা তার স্বামী মো. মজিবুর রহমানকেও বিকালে মারধর করে। তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. লায়েকুজ্জামান মিন্টুকে জানালে তিনি তাকে তার কাছে যেতে বলেন। শনিবার সন্ধ্যার পর স্বামী এবং দেবরদের নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে যাওয়ার সময় সঞ্জয় ঘোষসহ অন্যরা তাদের উপর লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। বেধরক পিটুনিতে খাদিজার দেবর আব্দুর রব গুরুতর আহত হন। তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে প্রথমে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বরিশালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মৃত্যু হয় আব্দুর রবের।এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেছে বলে জানান কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির। এ ঘটনায় একটি মামলাও প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি। ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।