• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ২৭ দফা নির্দেশনা

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : রবিবার, ২ জুন, ২০২৪

খাদ্যে ভেজাল ও মজুদদারি রোধ, নিত্যপণ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোসহ বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ২৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে লিখিত এই নির্দেশনা মাঠ প্রশাসনে দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মাঠ প্রশাসনে পাঠানো এই নির্দেশনায় বলা হয়, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ করাসহ ভোক্তাদের যাতে কোনো রকম হয়রানি না হয় সে দিকে দৃষ্টি দিতে হবে; গ্রামপর্যায়ে সবাইকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদন বহুমুখী করার লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমাদের দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে, পরনির্ভরশীলতা কমাতে হবে; খাদ্য মজুদের মাধ্যমে মজুদদাররা যাতে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দেয়াসহ প্রয়োজনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছানোর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত যায় কি না, কেউ জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাস, মাদক অথবা কিশোর গ্যাংয়ের সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে কি না সে বিষয়ে নজরদারি বৃদ্ধির জন্য অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে যেন কোনো রকম অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি না হয় এবং সেখানে যাতে সবাই শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে সে দিকে সার্বিক দৃষ্টি রাখতে হবে; সর্বজনীন পেনশন স্কিমে সর্বস্তরের মানুষকে যুক্ত করার লক্ষ্যে সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে। ইনকাম ট্যাক্স প্রদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে হবে; এলাকাভিত্তিক উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধির মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে; নদীগুলো ড্রেজিং করা, নাব্যতা বাড়ানো, জলাধারগুলো সংস্কার করা, বর্ষাকালীন বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ বা বর্ষার পানি ধরে রাখা এবং সেগুলোকে শুকনা মৌসুমে চাষে এবং সুপেয় পানি ব্যবহার করার লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। ভূগর্ভের পানি কম ব্যবহার করে ভূ-উপরিস্থ পানি যথাসম্ভব বেশি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে; শহরগুলোতে বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা সমস্যা প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে এবং বর্জ্য থেকেই নদী, খাল-বিলের পানি দূষিত হচ্ছে। কাজেই জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত বর্জ্য-ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পভুক্ত এলাকার মানুষের সুবিধা-অসুবিধা, জীবনমান, কর্মসংস্থান এবং আশ্রয়ণের ঘরগুলো উপকারভোগী কর্তৃক রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকমতো হচ্ছে কি না, এই বিষয়গুলোয় নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে; শিক্ষিত যুবসমাজকে উৎপাদন এবং শিল্পায়নের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তি তৈরির নিমিত্ত কারিগরি বা ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে; শিশু-কিশোর ও যুবসমাজকে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে।

প্রতি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ অর্থাৎ একটি খেলার মাঠ দ্রুত প্রস্তুতের উদ্যোগ নিতে হবে;


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।