• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

চতুর্থ ধাপের ভোট তীব্র গরমে চলছে লোকসভা নির্বাচনের

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের ভোট গ্রহণ চলছে।  সোমবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভোট গ্রহণ। চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। এ পর্যায়ে ১০টি রাজ্য এবং ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৯৬ আসনে ভোট গ্রহণ চলছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

চতুর্থ দফায় ভোট চলছে অন্ধ্র প্রদেশের ২৫টি, বিহারের ৫টি, জম্মু-কাশ্মীরের ১টি, ঝাড়খন্ড ও ওডিশার ৪টি করে এবং মধ্যপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ৮টি করে আসনে। এ ছাড়া তেলেঙ্গানার ১৭, মহারাষ্ট্রের ১১ এবং উত্তর প্রদেশের ১৩ আসনেও ভোট চলছে।

তবে এই পর্যায়ে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের ১৭৫ আসন এবং পূর্ব ভারতের ওডিশা রাজ্যের ২৮ বিধানসভা আসনেও ভোট চলছে।

তীব্র গরম উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে হাজির ভোটাররা। মোট ১৭ কোটি ৭০ লাখ ভোটারের মধ্যে এই পর্যায়ে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৮ কোটি ৯৭ লাখ এবং নারী ভোটার ৮ কোটি ৭৩ লাখ। কিন্তু তারপরও আশানুরূপ হচ্ছে না ভোটদানের হার। সকালে উপস্থিতি বাড়লেও, বেলা গড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কমছে।

যেসব কেন্দ্রে ভোট চলছে, তার বেশিরভাগ এলাকাতেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি বা তার চেয়ে বেশি। তীব্র রোদ তো আছেই।  চতুর্থ দফায় তাই সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ১০.৩৫ শতাংশ।

ভোট গ্রহণের জন্য গোটা দেশে ১ লাখ ৯২ হাজার ভোটগ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এই দফায় মোট ১৭১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই দফায় দেশজুড়ে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। তিনি লড়বেন উত্তরপ্রদেশের কনৌজ আসন থেকে। তার প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপির সুব্রত পাঠক।

পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর কেন্দ্র থেকে সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। ওই কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সাবেক ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। আসানসোল থেকে তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। এখানে বিজেপি প্রার্থী করেছে সুরেন্দ্র সিং আলুওয়ালিয়াকে।

বীরভূম কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। এবার তিনি কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন বিজেপির দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে।  কৃষ্ণনগর আসনে লড়ছেন তৃণমূলের সাবেক সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস-বাম দল সিপিএমের এস এম সাদি ও বিজেপির অমৃতা রায়।

বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়ছেন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ। এই আসনে কীর্তির প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির শক্তিশালী প্রার্থী ও বিদায়ী সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষ।

৭ দফার লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোট হবে ২০ মে। ষষ্ঠ ও সপ্তম দফার ভোট হবে যথাক্রমে ২৫ মে ও ১ জুন। আর একযোগে ফল প্রকাশ হবে আগামী ৪ জুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।