• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শনে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি দল রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে নগরীর হরিজন পল্লী এলাকার ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কাজ শুরু দিল্লি ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্টার্ক রাজশাহীতে নতুন জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম আগামী তিন মাসে যেকোনো বারের তুলনায় বাড়বে রাজস্ব আয়: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার

সিনহা হত্যা: চলছে ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর সাক্ষ্যগ্রহণ

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলার চলমান বিচারকার্যের ষষ্ঠ দফার শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

বুধবার সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহকে দিয়ে শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তিনি আসামি রাজিব হোসেনের ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন। তিনি ছাড়াও এসআই শাহজাহান আলী, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীর জবানবন্দি রেকর্ডকারী অপর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দেলোয়ার হোসেন শামীমসহ ছয় সাক্ষী সাক্ষ্য দেবেন।  রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  গত ২৫ অক্টোবর ষষ্ঠ দফার তিন দিনের সাক্ষীর কার্যক্রম শুরু হয়। গত দুদিনে ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে ওসি প্রদীপ কুমারসহ ১৫ আসামিকে আদালতে আনা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, মামলায় ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে পঞ্চম দফায় ৩৫ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।  ষষ্ঠ দফার তিন দিনের প্রথম দুদিনে ২২ জনসহ সাক্ষ্য শেষ হয় ৫৭ জনের। সবার সাক্ষ্য নেওয়া সম্ভব হলে ৬৩ সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া সম্পন্ন হবে। পিপি বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি দ্রুত সম্পন্ন করতে আমাদের প্রচেষ্টা থাকলেও আসামিপক্ষ সবসময় তাতে ব্যাঘাতের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সবার সহযোগিতা পেলে মামলার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন পিপি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।