• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শনে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি দল রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে নগরীর হরিজন পল্লী এলাকার ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কাজ শুরু দিল্লি ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্টার্ক রাজশাহীতে নতুন জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম আগামী তিন মাসে যেকোনো বারের তুলনায় বাড়বে রাজস্ব আয়: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার

রাজশাহীর ফজলি পেলো জিআই সনদ

Reporter Name / ১৩০ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১

আমের রাজা খ্যাত সুমিষ্ট ফজলি আম রাজশাহীর ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায়  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলীম উদ্দীন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বীকৃতির বিষয়টি জানতে পেরেছি। এর আগে গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেড মার্ক তাদের ‘দ্য জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিকেশনের’ (জিআই) ১০ নম্বর জার্নালে এটি প্রকাশ হয়। তাতেই ফজলিকে ‘রাজশাহীর ফজলি আম’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত জার্নাল আরও দুই মাস পর বের হবে। তখন সনদসহ ‘ফজলি আম’ কাগজে-কলমে স্বীকৃত হবে। তবে এখন থেকেই ‘ফজলি আম’ রাজশাহীর স্বীকৃত স্থানীয় আম হিসেবে পরিচিতি পাবে। যেমনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘ফজলির জিআই স্বীকৃতি পেতে ২০১৭ সালের ৯ মার্চ রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্র থেকে আবেদেন করা হয়। এ জন্য ফজলি আমের ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থানীয় সংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যসহ আমের বিশেষত্ব, চাষাবাদ, বাণিজ্য, ধরন-ধারণ ও প্রকৃতিসহ বিভিন্ন ভৌগলিক বিষয়ে বিস্তর নথি প্রেরণ করতে হয়েছে। এমনকি এটির ‘জিআই’ স্বীকৃতি পেতে প্রতিনিয়তই যোগাযোগ করা হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে।’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজশাহীর ৯ উপজেলাতেই হয় আম চাষ। তবে রাজশাহীর বাঘায় ফজলির চাষ সবচেয়ে বেশি হয়। যার নিদর্শন রয়েছে ৫০০ বছর আগে নির্মিত বাঘা শাহী মসজিদের দেয়ালে খোচিত ফজলি আমের নকশা। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০০ বছর আগেও কলকাতার বাজারে ফজলি আম বিক্রি হতো। সেখানে রাজশাহীর বাঘা অঞ্চল থেকেই যেত ফজলি আম। বাঘা ছাড়াও রাজশাহীর অন্যান্য স্থানেই ফজলির চাষ হয়। রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলীম উদ্দীন জানান, ফজলি মূলত নাবী মৌসুমী জাতের আম। জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে এটি পাকতে শুরু করে। আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এটির সংগ্রহকাল। ফল পাড়ার পরে পাকতে ৭-৮ দিন সময় লাগে। মুকুল আসা থেকে ফল পরিপক্ব হতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।