• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ

সংসদে চাকরির বয়সসীমা ৩২ করার দাবি : কাদের

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন থেকে প্রায় দেড় বছর হারিয়ে যাওয়ায় এবং সরকারি অনেক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর করার বিষয়টি বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ দাবি করেন তিনি। জিএম কাদের বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ ছিল। এখন মাত্র এক বছরের জন্য প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমার ক্ষেত্রে প্রায় দুই বছর ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ছাড় দেওয়া হয়েছে শুধু এককালীন। মানে শুধু এ বছরের জন্য। তাও বিসিএস ক্যাডারকে বাদ দিয়ে। তিনি বলেন, কোভিটজনিত কারণে কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ রাখার পর আংশিক খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, করোনা বেড়ে গেলে যেকোনো সময়ে এগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত হয়তো দুই বছর পর্যন্ত শিক্ষাজীবন ঝরে যাবে। তাহলে প্রশ্ন আসে, যারা পাস করে বেরোনোর পর পাঁচ বছর সময় পায় চাকরি করার জন্য। কিন্তু দুই বছর যদি চলে যায়। আর এখন শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করতে হয় তাদের পাস করতে করতেই ৩০ বছর চলে যাবে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এই মানুষগুলোকে যাতে আমরা একটা সুযোগ সুবিধা দিতে পারি, এজন্য আমি প্রস্তাব করতে চাই। এটা নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। সবার জন্যই চাকরির বয়স ৩২ করা যায় কি-না সেটা বিবেচনা করা উচিত। যেহেতু মানুষের জীবনের সীমা বেড়ে গেছে। এখন মৃত্যুর হার অনেক কম। গড় আয়ু বেড়ে গেছে। রিটায়ারমেন্টের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এন্ট্রি পয়েন্টেও আরেকটু সুযোগ বাড়ানো উচিত বলে আমি মনে করি। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই জিনিসটি করা উচিত।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।