• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ

মারধরের অভিযোগ এনে সংসদে কাদের মির্জার বিচার দাবি

Reporter Name / ১৪৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার বিচার চাওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টির (জাপা) নোয়াখালীর এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ এনে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জাপার দুই এমপি এই বিচার দাবি করেন। এ সময় কাদের মির্জাকে তারা অবাঞ্ছিত লোক বলে অভিযোগ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী দিনে এ দাবি করা হয়।

গত ৮ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক স্বপনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে। দলটির নেতারা অভিযোগ করেন, ওই দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জাপা নেতা স্বপনকে বসুরহাট বাজারের কালামিয়া ম্যানশন নামের একটি বিপণীবিতানের সামনে থেকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার অনুসারীরা তুলে নিয়ে যান। এরপর রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পৌরসভা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে তাকে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুল লতিফকে ডেকে পাঠিয়ে তার কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, কাদের মির্জা সাহেব বিভিন্নভাবে সারা বাংলাদেশে বিতর্কিত। ওনার ভাইয়ের (ওবায়দুল কাদের) কাছে কতটুকু বিতর্কিত আমি জানি না। দলের কাছে কতটুকু বিতর্কিত আমি জানি না। কিন্তু কোম্পানীগঞ্জসহ সারা বাংলাদেশে একটা অবাঞ্ছিত মানুষে পরিণত হয়েছেন উনি।

রাঙ্গা বলেন, উনি (কাদের মির্জা) কখন, কাকে কী বলছেন আমি জানি না। জানি তিনি একটা দলের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রধানমন্ত্রী সেই দলের সভাপতি। আমরাও বঙ্গবন্ধুকন্যা হিসেবে তাকে সম্মান করি। তিনি সবসময় ন্যায় বিচার করেন এটাই আমরা মনে করি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী না থাকার কারণে, আমরা আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ন্যায় বিচার ও তার (স্বপন) সুচিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান করছি।

এই ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়নি দাবি করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, বিগত নির্বাচনে অনেকগুলো আসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সুসম্পর্কের খাতিরে নির্বাচন করি নাই। অনুরূপভাবে আমাদের অনেক আসনেও আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয় নাই। এই সুসম্পর্কটা যাতে ঠিক থাকে সেই দৃষ্টি আমাদের সবসময় ছিল। আমাদের প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জীবিত থাকাকালে আমাদের সেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, স্বপন খুবই নিরীহ মানুষ। আমাদের কথার ভিত্তিতে আসনটি (নোয়াখালী-৫) ছেড়ে দিয়েছিলেন। সেখানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহেব নির্বাচন করেছেন।

ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানোর বিশেষ আইনের মেয়াদ বাড়ানোর বিলের সংশোধনীর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে কোম্পানীগঞ্জের ঘটনার কথা উল্লেখ করে কাদের মির্জার বিচার দাবি করেন জাপার আরেক সংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি বলেন, মোঘল সম্রাটের সময় যখন কেউ ন্যায় বিচার পেতো না, তখন লাল কেল্লায় ঘণ্টা বাজাতো। আজকে আমরা ঘণ্টা বাজাচ্ছি সংসদে। মাঝখানে অনেকগুলো ইনস্টিটিউশন নষ্ট হয়ে গেছে। এই সংসদকেই ন্যায় বিচার করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।