• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শনে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি দল রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে নগরীর হরিজন পল্লী এলাকার ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কাজ শুরু দিল্লি ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্টার্ক রাজশাহীতে নতুন জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম আগামী তিন মাসে যেকোনো বারের তুলনায় বাড়বে রাজস্ব আয়: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার

পর্যটকদের ভিড়ে মুখোরিত টাঙ্গুয়ার হাওর

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১

সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছেন হাজারও পর্যটক। এতে হাওরের চারদিকে তৈরি হয়েছে আনন্দঘন পরিবেশ। তবে পর্যটকদের ভিড়ে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) টাঙ্গুয়ার হাওরে গিয়ে দেখা যায়, হাওরের সৌন্দর্য দেখতে সকাল থেকেই ছোট-বড় নৌকা নিয়ে আসতে থাকেন ভ্রমণপিপাসুরা। সেসব নৌকা হাওরের ওয়াচ টাওয়ারের পিলারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। অনেকে টাওয়ারের ওপর উঠে ফেলছেন স্বস্তির নিশ্বাস। উপভোগ করছেন প্রকৃতির সৌন্দর্য। আবার কেউ কেউ নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পুরো হাওর। কেউ বা বর্ষার জমা পানিতে গোসল করতে নামছেন হাওরে। অনেকে স্মৃতি আঁকড়ে রাখতে তুলছেন ছবি।

তবে হাওরে ঘুরতে এসে করোনার কথা ভুলেই গেছেন পর্যটকরা। কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। অনেকের মুখেই ছিল না মাস্ক।

ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক রিয়াদ আল মাহমুদ বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর এত সুন্দর আগে জানতাম না। এখানে এসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রেমে পড়ে গেছি। মন চাইছে এখানে একেবারে থেকে যাই।

ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা কাজী আল প্রিতম বলেন, আমি এর আগে আরও দুবার হাওরে এসেছি। এখানে যত আসি ততই ভালো লাগে। দুবার বন্ধুদের নিয়ে এসেছিলাম আর এখন পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছি।

রংপুর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক জিসান আহমদ বলেন, করোনার জন্য ঘর থেকে বের হতে পারিনি। আজকে টাঙ্গুয়ার হাওরে এসে শান্তির নিশ্বাস নিতে পারছি।

করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক না পরার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কাছে করোনাও হার মানবে।

খুলনা থেকে ঘুরতে আসা শিপন মিয়া বলেন, আজকে হাজারও পর্যটক সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে এসেছে। এখানে যেন মিলনমেলা তৈরি হয়েছে। অনেক মানুষ অনেক জায়গার, কেউ কাউকে চিনি না। এরপরও হাওরের সৌন্দর্য সবাই একসঙ্গে উপভোগ করছি।

তাহিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হান কবির বলেন, আসলে টাঙ্গুয়ার হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর পর্যটকরা আসছে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর জন্য আমাদের একটি টিম মাঠে কাজ করছে।

সূত্র : জাগো নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।