• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ আজ ৭ নভেম্বর। জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা সুরক্ষার অনন্য প্রতীক ‘ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস।’ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল ৬ টা ১৬ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ রচনা প্রতিযোগিতা।

পরে, সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে শুরু হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা।

উদ্বোধনের পর বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. হারুন অর রশীদ। এরপর বক্তব্য প্রদান করেন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. শহীদুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, একটি দেশের অগ্রযাত্রায় জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি শিক্ষার্থীদের দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করতে অনুপ্রাণিত করে। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের উচিত দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা এবং সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখা।’

সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (ভারপ্রাপ্ত) এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল্লাহ বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. শামীম আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. মো. বায়তুল মোকাদ্দেছুর রহমান, ব্যবসায় ও আইন স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. কানিজ হাবিবা আফরিন, আইন ও মানবাধিকার বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর আবু নাসের মো. ওয়াহিদ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মুন্সী ইসরাইল হোসাইন, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর ড. সুলতানা রাজিয়া, অর্থনীতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর মো. আব্দুর রশিদ সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আব্দুল আউয়াল,  পরীক্ষা নিয়স্ত্রক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার পারমিতা জামান, প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুর রহমান এবং আইসিটি  সেল-এর উপ-পরিচালক ফরিদুজ্জামান খানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ও শিক্ষার্থীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।