• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে প্রতিষ্ঠিত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। এ দেশের মানুষ সমমর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চায়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপি আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকালে রাজশাহী মহানগর বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে পায়রা ও বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ কিংবা মোঘল শাসকদের কাছে বাঙালি মাথা নত করেনি। সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। বাংলাদেশের মানুষও সমমর্যাদার ভিত্তিতে বাঁচতে চায়। দেশকে বিশ্বদরবারে আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখাই আমাদের প্রত্যয়।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, প্রায় ৪০ বছর আগে রাজশাহী কলেজ ছাত্র সংসদের সহকারী সম্পাদক থাকাকালে কলেজে একটি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর তৎপরতা দেখা দিয়েছিল। তখন দেশপ্রেমিক ছাত্রদের সঙ্গে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও মিছিল করতে হয়েছিল। কলেজের রাজনৈতিক পরিবেশ রক্ষায় ছাত্রনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণা করে মিনু বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের বালুরঘাটে রিক্রুট ক্যাম্পে ছিলেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৭ ডিসেম্বর রাজশাহীতে ফিরে আসেন। রাজশাহীর মাটির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে ভূমিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পরও নানা ধরনের পরাধীনতার শৃঙ্খল ও বিদেশি আধিপত্যের আশঙ্কা ছিল। প্রকৃত স্বাধীনতা মানে নিজের মর্যাদা নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো। দেশের মানুষকে আত্মমর্যাদার জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব রয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় পরিচয় বিশ্বদরবারে তুলে ধরার প্রত্যয় তৈরি হয়েছিল।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মিনু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বদরবারে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ। সঞ্চালনা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।

এ সময় মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।