• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে নরওয়ের ডেপুটি মেয়রের সাক্ষাৎ, পরিচ্ছন্ন রাজশাহীর প্রশংসা রাজশাহীতে চোরাই ২ ল্যাপটপ ও ১২ মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীতে মাদকসেবনের দায়ে ২ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১০৫ রানে ফিরলেন সাদমান পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে
রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে সংঘটিত সহিংসতার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরী। আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় নগরীর আলুপট্টি মোড় থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ করে গণকপাড়া মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও রাজনৈতিক সহনশীলতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান এবং ২৮ অক্টোবরের ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।
রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল। মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শাহাদাত হোসাইন ও সাংগঠনিক সেক্রেটারি জসিম উদ্দীন সরকারের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আহসান বুলবুল, যুব সেক্রেটারি সালাউদ্দীন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ প্রমুখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক সহিংসতার অবসান ঘটানো জরুরি। অতীতের কোনো সহিংস ঘটনা যেন বিচারহীনতার কারণে আড়ালে থেকে না যায়, সে জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান তাঁরা।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার ও রাজনৈতিক সহনশীলতা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ সময় তাঁরা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে সংঘটিত ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিডব্লিউএফ রাজশাহী মহানগরীর সভাপতি সারোয়ার জাহান প্রিন্স, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুস সামাদ, মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান নাজির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।