• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি বন্ধ ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ

কলাপাড়া ও কুয়াকাটা বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত

Reporter Name / ৪৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার ও কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) পৃথক দুটি চিঠির মাধ্যমে তাদের পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানায় জেলা বিএনপি। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিষয়টি জানাজানি হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে মা ও শিশুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আদালতে বিচারাধীন ও নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা জমি সংক্রান্ত বিরোধে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নোটিশ দেওয়ার অভিযোগে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারকে গত ৩ অক্টোবর কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল পটুয়াখালী জেলা বিএনপি।

ওই নোটিশে তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। জেলা বিএনপি অভিযোগটি দলীয় শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তির পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেছিল।

কুয়াকাটা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা ওই নোটিশে জমি বিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সাক্ষী ও প্রমাণাদিসহ দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অনুপস্থিতিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ ছিল।

তবে জেলা বিএনপির সর্বশেষ সিদ্ধান্তে কারণ দর্শানোর প্রক্রিয়া শেষে দুজনেরই নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হলো।

কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদার এর আগে বলেছিলেন, আদালতের মামলার বিষয়টি তার জানা ছিল না; পরে জানতে পেরেছেন এবং জেলা বিএনপির কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জেলা বিএনপির চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, দলের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত অদ্য থেকে কার্যকর হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।