• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি বন্ধ ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ

রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৬৪ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি, বেলপুকুর থানা ও বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ির পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইন, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গত ০৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে ডিবি পুলিশ বোয়ালিয়া থানার হোসনীগঞ্জ দক্ষিণ মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো: সেলিমের ছেলে মো: আকাশ (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আকাশের বিরুদ্ধে আরএমপি’র বিভিন্ন থানায় ৪ টি পেনাল কোড, ২টি মাদক মামলা ও ১টি অস্ত্র মামলা রয়েছে।

 

অপরদিকে, একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে ডিবি পুলিশ রাজপাড়া থানার আলিগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত আ: মজিদের ছেলে মো: মাসুদ রানা (৪৭); রাজপাড়া থানার দাশপুকুর গ্রামের মো: হালানের ছেলে মো: সুমন (৩৪) এবং একই গ্রামের মো: জামালের ছেলে মো: আব্দুল্লাহ (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা মোট ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত মাসুদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় ২টি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও সুমনের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে।

 

অন্যদিকে বেলপুকুর থানা পুলিশ একই তারিখ বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে ধাদাস গ্রামের মৃত মহসীন আলীর ছেলে মো: সেন্টু (৪৫) এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে সেন্টুকে গ্রেপ্তার করে। এসময় সেন্টুর হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি সেন্টুর বিরুদ্ধে আরএমপি’র বেলপুকুর থানায় ১টি, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানায় পৃথক ২টি মাদক মামলা রয়েছে।

 

তাছাড়াও বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ি একই তারিখ দুপুর আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে শিল্পীপাড়া বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শাহমখদুম থানার দক্ষিণ নওদাপাড়া মেহের মিল গ্রামের মো: শিলু ইসলামের ছেলে মো: শাওন আলী (১৯) এবং দক্ষিণ নওদাপাড়া তালপুকুরপাড় গ্রামের মো: সেলিম আলীর ছেলে মো: সম্রাট ইসলাম (২২)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।