• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আমীর নির্বাচন উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৪ জন গ্রেপ্তার, ৪৪ মামলা রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি বন্ধ ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামীর ‘ইউনিট সভাপতি শিক্ষা শিবির-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
রাজশাহী জেলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামীর ‘ইউনিট সভাপতি শিক্ষা শিবির-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

রাজশাহী, ১৫ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা শাখার উদ্যোগে ‘ইউনিট সভাপতি শিক্ষা শিবির-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাজশাহী মহানগরীর শাহ্ ডাইন কমিউনিটি সেন্টার, গ্রেটার রোড, কাদিরগঞ্জে দিনব্যাপী এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।

রাজশাহী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাজশাহী জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. গোলাম মুর্তজা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীলদের জীবনের মূল লক্ষ্য হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। ইখলাস, তাকওয়া, আমানতদারি, শৃঙ্খলা ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, ইউনিট পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, তাদের সমস্যা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া এবং কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য তিনি দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, একজন দায়িত্বশীলকে নিয়মিত জ্ঞানচর্চা ও আত্মগঠনের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের নৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে হবে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধৈর্য, দৃঢ়তা ও আদর্শের ওপর অবিচল থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান আলোচক মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চা, আত্মগঠন ও সাংগঠনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা বৃদ্ধি করতে হবে। কুরআন ও সুন্নাহর শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বশীলদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীলের পরিচয় শুধু সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তার চরিত্র, আচার-আচরণ, নৈতিকতা ও মানুষের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমেও তার যোগ্যতার প্রকাশ ঘটে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং সমাজের মানুষের কাছে ইসলামের শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের ত্যাগ, কুরবানী, ধৈর্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল খালেক বলেন, ইউনিট সভাপতিরা সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল। তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর সাংগঠনিক কার্যক্রমের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে। শিক্ষা শিবির থেকে অর্জিত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণকে নিজ নিজ ইউনিটের কার্যক্রমে কাজে লাগানোর জন্য তিনি দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্বশীলদের ব্যক্তিগত চরিত্র গঠন, নিয়মিত অধ্যয়ন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। সমাজের কল্যাণে ইতিবাচক ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষা শিবিরে রাজশাহী জেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে দারসুল কুরআন, ইসলামী সংগীত, দায়িত্বশীলদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের ত্যাগ ও কুরবানী, বাইআতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য, ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সাধারণ প্রশ্নোত্তরসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

পরে মুনাজাত ও সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী ‘ইউনিট সভাপতি শিক্ষা শিবির-২০২৬’-এর কার্যক্রম শেষ হয়।

বার্তা প্রেরক:
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্
সদস্য, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
রাজশাহী জেলা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।