• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে নরওয়ের ডেপুটি মেয়রের সাক্ষাৎ, পরিচ্ছন্ন রাজশাহীর প্রশংসা রাজশাহীতে চোরাই ২ ল্যাপটপ ও ১২ মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীতে মাদকসেবনের দায়ে ২ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১০৫ রানে ফিরলেন সাদমান পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা রোধে মাঠে তৎপর রাসিক প্রশাসক

Reporter Name / ২৭ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ আগামী বর্ষা মৌসুমে রাজশাহী মহানগরীতে জলাবদ্ধতা রোধে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)-এর মাননীয় প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশনায় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ। নগরীর প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি ড্রেন থেকে এক্সাভেটরের মাধ্যমে কাদামাটি অপসারণে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের মাধ্যমে ছোট ড্রেনগুলো থেকেও কাদামাটি ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ জোরদার করা হয়েছে।

আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে নাগরিক ভোগান্তি কমাতে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি দিন-রাত সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন।

শনিবার (২ মে) দিবাগত সাড়ে ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর বর্ণালী মোড় ঢালান, ভেড়িপাড়া, আদর্শ পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।  এরআগে সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নগরীর বর্ণালী, ১৬নং ওয়ার্ডের মথুরডাঙ্গা, ৬নং ওয়ার্ডের আপেল ডেকোরেটরের মোড় এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ড্রেন পরিস্কার কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করেন রাসিক প্রশাসক। এ সময় ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখতে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ বিষয়ে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। আগামী বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় দিনে কাজ করলে জনভোগান্তি সৃষ্টি হতে পারে, সেসব এলাকায় রাত্রীকালীন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য—ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রেখে নাগরিক দুর্ভোগ কমানো। এ কাজে আমি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, অনেক ভবন মালিক তাদের বাড়ির সামনে ড্রেনের উপর স্থায়ীভাবে ঢালাই করে ড্রেনের পকেট বন্ধ করে দিয়েছেন—কোথাও ৪০ ফুট, কোথাও ৫০ ফুট পর্যন্ত। এতে ড্রেন পরিষ্কার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ—ড্রেনের উপর স্থায়ী ঢালাই করে ড্রেনের পকেট বন্ধ করবেন না।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন ডলার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জুসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।