• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিকের অ্যাসফাল্ট প্লান্টের কার্যক্রম পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী গ্রেপ্তার মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সড়ক এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু আজ, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত যুবদলের আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: এমপি মোবাশ্বের ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ ঘিরে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ  কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে এবং সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ (মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল) জামায়াত আমিরের ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ বিবৃতি দেন তিনি।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজ ১৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত ও অন্তত ৬ জন আহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। এমন মৃত্যুবরণ অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও মর্মস্পর্শী।’

তিনি বলেন, ‘আমি নিহতদের শহিদ হিসেবে কবুল করার জন্য মহান রবের নিকট কায়মনোবাক্যে দোয়া করছি। নিহতদের পরিবার-পরিজন ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বারবার সংঘটিত এ জাতীয় সড়ক দুর্ঘটনা আবারও প্রমাণ করছে যে, দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। বেপরোয়া গতি, যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, চালকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং মহাসড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রতিনিয়ত মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।’

এ পরিস্থিতিতে অবিলম্বে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ, চালকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং মহাসড়কে কার্যকর নজরদারি জোরদারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এছাড়া দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির বিধান এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।