• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিকের অ্যাসফাল্ট প্লান্টের কার্যক্রম পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী গ্রেপ্তার মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সড়ক এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু আজ, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত যুবদলের আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: এমপি মোবাশ্বের ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ ঘিরে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

উত্তর কোরিয়ায় নৌবাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা তদারকি করলেন কিম

Reporter Name / ৩৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ উত্তর কোরিয়ার একটি নৌ-বিধ্বংসী জাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) থেকে নতুন ধরনের কৌশলগত ক্রুজ মিসাইল ও জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা তদারকি করেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। আজ মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।

 

ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাগুলো গত রোববার চালানো হয়। এটি সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণেরই অংশ।

কেসিএনএ’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুটি কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র ৭ হাজার ৯০০ সেকেন্ডের বেশি (প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময়) আকাশে উড়েছিল। অন্যদিকে, যুদ্ধজাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উড়েছে প্রায় ২ হাজার সেকেন্ড বা ৩৩ মিনিটের মতো।

কেসিএনএ আরও জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ‘কোরীয় পশ্চিম সাগরের’ (ইয়েলো সি বা পীত সাগর) আকাশে নির্ধারিত কক্ষপথ ধরে উড়ে যায় এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

উত্তর কোরিয়ার নৌ-বহরে থাকা ৫ হাজার টনের দুটি শক্তিশালী ডেস্ট্রয়ারের একটি ‘চোয়ে হিয়ন’ থেকে এই পরীক্ষাগুলো চালানো হয়। কিম জং উন তার দেশের নৌ-ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে গত বছর এই জাহাজ দুটি উদ্বোধন করেছিলেন।

কেসিএনএ’র প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা যায়, যুদ্ধজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণের পর একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধোঁয়া ও লেলিহান শিখা ছড়িয়ে ওপরের দিকে উঠে যাচ্ছে। অন্য একটি ছবিতে দেখা যায়, কিম জং উন নৌ-কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে দূর থেকে এই পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করছেন।

বার্তা সংস্থাটি আরও জানায়, কিম জং উনকে বর্তমানে নির্মাণাধীন আরও দুটি ডেস্ট্রয়ারের অস্ত্র সম্পর্কে আজ মঙ্গলবার অবহিত করা হয়েছে এবং তিনি এ বিষয়ে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে’ পৌঁছেছেন।

কিম তার সেনাবাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, দেশের পারমাণবিক সক্ষমতা শক্তিশালী করাই এখন উত্তর কোরিয়ার জন্য ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ’।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।