• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিকের অ্যাসফাল্ট প্লান্টের কার্যক্রম পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী গ্রেপ্তার মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সড়ক এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু আজ, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত যুবদলের আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: এমপি মোবাশ্বের ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ ঘিরে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

বিসিবির নতুন কমিটি গঠনে সরকারের প্রভাব নেই—দাবি ক্রীড়া পরিচালকের

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবগঠিত অ্যাড-হক কমিটিতে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য থাকলেও, এতে সরকারের কোনো প্রভাব বা হস্তক্ষেপ নেই। এখন টেলিভিশনে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল ইহসান। একইসঙ্গে তদন্ত কমিটির বক্তব্যের সঙ্গে নতুন এই কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত সাংঘর্ষিক নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

একাধিক অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান কমিটিকে ভেঙে দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। নির্বাচন কারচুপির অভিযোগে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পরপরই নিজেদের আইনি ক্ষমতায় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড ভেঙে দেয় এনএসসি। এরপরেই নির্বাচন আয়োজন করতে গঠন করা হয় অ্যাড-হক কমিটি। যদিও অ্যাড-হক কমিটি তৈরি এবং এর সদস্যদের নিয়ে আছে অনেক প্রশ্ন।

তিন মাসের দায়িত্বে বিসিবির সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসা অনেকেই সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ ক্রিকেট ভক্তদের। যদিও এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল ইহসান বলছেন, কোনো প্রকার সরকারি চাপ ছাড়াই গঠন করা হয়েছে এ কমিটি।

 

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল ইহসান বলেন, ‘চেয়ারম্যান মহোদয় যেহেতু করেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটা স্বাধীনভাবেই করা হয়েছে। ওনাদেরকে এনএসসি এ দায়িত্বপালনে উপযুক্ত মনে করেছেন। তাই কর্তৃপক্ষ তাদেরকে তিন মাসের জন্য দায়িত্ব পালনের জন্য বেছে নিয়েছে।’

তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, কাউকে সুস্পষ্টভাবে দায়ী করা হচ্ছে না। যদিও এনএসসি জানিয়েছে, নির্বাচনের কারচুপির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ আরও অনেকেই। দুই বক্তব্য সাংঘর্ষিক কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন এনএসসি পরিচালক।

আমিনুল ইহসান বলেন, ‘বিষয়টি সাংঘর্ষিক না, যখন কোনো তদন্তকমিঠি গঠন করা হয়। তারা যখন কাজ করে তাদের চোখে তো কোনো না কোনো কিছু ধরা পরে। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে দোষারোপের জন্য কাজ করনি।’

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রত্যাশা, সব বিতর্ক পার করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটির কাছে সুষ্ঠুভাবে ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব হস্তান্তর করবে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাড-হক কমিটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।