• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাসিকের অ্যাসফাল্ট প্লান্টের কার্যক্রম পরিদর্শনে সিটি প্রশাসক রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী গ্রেপ্তার মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সড়ক এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু আজ, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত যুবদলের আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: এমপি মোবাশ্বের ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ ঘিরে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ দেশব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগ ও জেলাভিত্তিক নির্ধারিত কলেজ কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হবে পরীক্ষা।

রোববার (১২ এপ্রিল) জারি করা এক নির্দেশনায় কেন্দ্রগুলোর জন্য বিস্তারিত করণীয় ও নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ভর্তির ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কেন্দ্র সচিবকে পরীক্ষার্থীদের নামের তালিকা ডাউনলোড করতে হবে। পরীক্ষার্থীদের গ্রুপভিত্তিক আসন বিন্যাস করতে হবে এবং প্রতিটি আসনের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিটি কক্ষে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান- এই তিন গ্রুপের আসন সংখ্যা ১০-এর গুণিতক রাখতে বলা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলে নিকটবর্তী অন্য সরকারি বা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিনদিন আগে আসন বিন্যাস প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হাজিরাপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর মুখমণ্ডল মিলিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই প্রক্সির মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

এছাড়া পাশাপাশি বসা পরীক্ষার্থীদের ভিন্ন সেটের প্রশ্নপত্র দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। প্রতিটি গ্রুপের জন্য দুটি করে সেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা যেন ওএমআর শিটে গ্রুপ ও সেট কোড সঠিকভাবে পূরণ করে- সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে। কোনো পরীক্ষার্থী ওএমআর শিটে সাংকেতিক চিহ্ন বা মোবাইল নম্বর লিখলে তার উত্তরপত্র বাতিল করা হবে।

কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটরসহ যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট পর কোনো পরীক্ষার্থীকে হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নিতে বলা হয়েছে। পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য কারও কেন্দ্রে প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) ও হাজিরাপত্র সিলগালা করে একই দিন রাত ৮টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। ডাক বা কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো যাবে না।

এদিকে, প্রতিটি পরীক্ষার্থীর জন্য ১২৫ টাকা হারে কেন্দ্র ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরীক্ষা শুরুর তিনদিন আগে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।

সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।