• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারাবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি বন্ধ ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজশাহীতে নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে রাসিক প্রশাসক, শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পেনাল্টি মিস, তবু গোলসংখ্যায় মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো মাগুরায় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, গুলিতে হত্যার অভিযোগ

বৈসাবি উৎসব: পাহাড়ে উৎসবের আমেজ

Reporter Name / ৭৬ Time View
Update : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বাংলা পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বর্ষ বরণকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য জেলায় শুরু হচ্ছে উৎসবের আমেজ। পাহাড়ে বসবাসরত ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসবকে ঘিরে এরইমধ্যে নেয়া হয়েছে নানা আয়োজনের উদ্যোগ। আজ (সোমবার, ৬ এপ্রিল) থেকেই শুরু হচ্ছে এ বর্ণিল আয়োজন। রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট যৌথভাবে ৬ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে।

এই আয়োজনকে ঘিরে পাহাড়িরা বড় পরিসরে ১৫ দিনব্যাপী উৎসব করে থাকে। মুল উৎসব হয় ৩০ চৈত্র। ১২ এপ্রিল কাপ্তাই হ্রদে ভাসানো হবে ফুল। আগামী ১৭ এপ্রিল রাঙামাটির রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় মারমা জনগোষ্ঠীর জল উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাহাড়ের এ বর্ণিল উৎসব।

উৎসব উপলক্ষে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বসেছে মেলা। প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলবে এ মেলা। মেলায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও ব্যবহার্য পোশাকের শতাধিক স্টল বসেছে। পাহাড়িদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে সমতল থেকে আসা সংস্কৃতিপ্রেমী উৎসুক মানুষও যোগ দিয়ে থাকেন এ উৎসবে।

এছাড়া মেলায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পিঠা তৈরি, পাজন রান্না, মঞ্চনাটক, চিত্রাঙ্কন ও বর্ণমালা লিখন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। পাশাপাশি পৃথকভাবে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলাতেও নেয়া হয়েছে এমন আয়োজন।

উৎসবের উদ্বোধন করবেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি। উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব অনুপ কুমার চাকমা এনডিসি পিএসসি, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, ডিসি নাজমা আশরাফী, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. একরামুল রাহাত, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব। অনুষ্ঠানে সভাপ্রধান হিসেবে থাকছেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার।

এদিকে বিজু, সাংগ্রাইং, বৈসু, বিষু, চাক্রান, চাংলান, পাতা, বিহু-২০২৬ উদযাপন কমিটির ব্যানারে পৃথক উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ৯ থেকে ১২ এপ্রিল চার দিনব্যাপী এ উৎসবে প্রধান অতিথি থাকছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি-জেএসএস প্রধান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা(সন্তু লারমা)। ১২ এপ্রিল সকালে রাঙামাটি রাজবন বিহার পূর্বঘাটে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসিয়ে উৎসবের পর্দা নামবে।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী ইনস্টিটিউটের পরিচালক জিতেন চাকমা বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করবে।অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, স্থানীয় শিল্পীদের পরিবশেনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ভাষা, শিক্ষা ও সংস্কৃতির উপর আলোচনা সভাসহ স্থানীয় উদ্যোক্তাদের পণ্য সামগ্রী নিয়ে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।