• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পালপুর ধরমপুর জাগরণী ক্লাব রুয়েটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর পালিত ইতিহাস গড়ে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির শোভাযাত্রা রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বরের চেতনায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় বাংলাদেশ: ভূমিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে রাজশাহীতে খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক

র‌্যাপার থেকে নেপালের নতুন সরকারপ্রধান বালেন্দ্র শাহ

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ প্রায় চার বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেপালের নতুন সরকারপ্রধান জনপ্রিয় র‌্যাপার ও কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র বালেন্দ্র শাহ। গানের তালে তালে দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ২০২৫ সালের জেন-জি আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে অল্প সময়ের মাঝেই নেপালি তরুণদের আইডল বনে যান বালেন্দ্র শাহ। এছাড়া মেয়রের দায়িত্ব পালনের সময়ে জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করেন বালেন্দ্র।

মাত্র কয়েক বছর আগেও রাজনীতির মাঠে যিনি ছিলেন একেবারে অচেনা, সেই বালেন্দ্র শাহকেই জেন-জিদের অভ্যুত্থান পরবর্তী নেপাল পুনর্গঠনে বেছে নিলেন দেশটির ভোটাররা।

রাজনীতিতে নামার আগে র‌্যাপের মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মন কাড়েন বালেন্দ্র। গতানুগতিক র‌্যাপ নয়, গানের তালে তালে সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি সরকারের দুর্নীতি ও সামাজিক সমস্যাগুলো তুলে ধরেন বালেন্দ্র।

সাহসী কণ্ঠস্বরের কারণে ২০২২ সালের কাঠমাণ্ডুর মেয়র নির্বাচনে সিপিএন-ইউএমএল ও নেপালি কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে হিমালয় কন্যা নেপালের রাজধানীর মেয়র হন বালেন্দ্র।

প্রায় চার বছরে দায়িত্ব পালনকালে, ক্যারিশমা দেখান এই তরুণ র‌্যাপার। তার সময়ে সরকারি জমিতে অবৈধ দখলদারিত্ব হ্রাস পেয়েছে। ফিরেছে সড়কে শৃঙ্খলা। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও সফল ছিলেন শাহ প্রশাসন।

তবে বালেন্দ্রর জনপ্রিয়তার পালে হাওয়া লাগায় ২০২৫ এর জেনজি অভ্যুত্থান। তরুণদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকেন তিনি। এরপর জানুয়ারিতে ভোটে অংশ নিতে মেয়র পদ ছেড়ে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে যোগ দেন বালেন্দ্র।

১৯৯০ সালে কাঠমান্ডুতে জন্মগ্রহণ করা বালেন্দ্র শাহ নেপালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেন। পরে ভারতের একটি টেকনোলজ্যিকাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পোস্ট- গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন বালেন্দ্র শাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।