• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন ১২ তারিখের নির্বাচন জাতির টার্নিং পয়েন্ট : শফিকুর রহমান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন-সালাহউদ্দিন আহমদ ‘ব্যর্থতার দায় নিয়ে’ ডাকসু নেতা সর্ব মিত্রের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত বিমানের টিকিট না পাওয়ায় রাজশাহীতে তারেক রহমানের সফর পেছাল ক্ষমতায় এলে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে: তারেক রহমান রাজশাহীতে ড্রেন থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, যা বললেন বিসিবি পরিচালকরা

নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

Reporter Name / ২৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ নির্বাচনি প্রচারণায় মাইক ব্যবহারে শিথিলতাসহ শিগগিরই আচরণবিধিতে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসি আব্দুর রহমানেল মাসউদ বলেন, আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ গুরুতর হলে কমিশন নিজ থেকেই তদন্তের ব্যবস্থা করবে। অন্যথায়, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় বরাবর অভিযোগ জানাতে হবে। এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, আচরণবিধি মনিটরিংয়ে ইসির তৎপরতা বাড়ানো জরুরি।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারণায় রাত ৮ টার পর মাইকের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মধ্যরাত পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করে চলছে নির্বাচনি সমাবেশ। যদিও এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছে রাজনৈতিক মহলে।

এদিকে নির্বাচনি প্রচারে ভোটারপ্রতি ১০ টাকা খরচ করার বিধান থাকলেও এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই প্রচারণার সুযোগ নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করছে দলগুলো। পরিসংখ্যান বলছে, ইসির বিধি ভেঙ্গে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগেই দলগুলো ফেসবুকে ৫০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করে। যেটির বর্তমান হিসেব বেড়েছে কয়েকগুণে। এতে বিএনপি-জামায়াত কেউই পিছিয়ে নেই। একইসাথে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতেও আচরণবিধি অমান্য করে চলছে প্রচারণা. ইসির হিসেবে গত ৮ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এসব ঘটনায় ১২৮ নির্বাচনি এলাকায় ১’শ ৪৪ টি আচরণবিধি লঙ্ঘনে ৯৪টি মামলাসহ ৯ লাখের বেশি জরিমানা করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আচরণবিধির এসব বিষয়ে মনিটরিংয়ে ইসির তৎপরতা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে বিধিমালায় সংশোধনেরও জোর দেন তারা।

নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম বলেন, ‘একজন প্রার্থী কিভাবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টাকা খরচ করছে এটার মনিটরিং নেই। যদিও প্রার্থীরা নির্বাচনের পরে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের খরচের হিসাব জমা দেয়। ওখানে খাতা খোলা থাকে। কিন্তু সেটা কতটুকু সত্য তা দেখার মতো মেকানিজম আমাদের দেশে নেই।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘এমন পদ্ধতি নির্ধারণ করেনি যেটার মাধ্যমে নির্বাচনি ব্যয়ে লাগাম টানা যেতো এবং পরবর্তী নির্বাচনি ব্যয়ের ব্যাপারে তারা অনুসরণ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যেতো। এটা বহুলাংশে নির্বাচন কমিশন দায়ী আমি মনে করি।

এ নিয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ জানান, আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগকে গুরুতর মনে করলে কমিশন নিজ থেকেই তদন্তের ব্যবস্থা করবে। অন্যথায় সংক্ষুব্ধরা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ জানাতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ বলেন, ‘যে সমস্ত ঘটনা ঘটছে বা ঘটনা আরও যদি ঘটে তার জন্য বিচার বিভাগীয় যে কমিটি আছে সেখানে যারা ক্ষতিগ্রস্ত মনে করে তারা গিয়ে অভিযোগ করবেন। জেলা অফিসেও জানাতে পারে, উপজেলা অফিস বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসেও জানাতে পারে।

প্রচারণায় মাইক সংখ্যা ৩ টি থেকে শিথিলতা আনাসহ আচরণবিধিতে শীঘ্রই কয়েকটি পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

ইসি মাসউদ বলেন, ‘আচরণবিধিতে কিছু পরিবর্তনের বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা আছে এবং সেটা চলে গেছেও। বাইকের যে সংখ্যা ছিলো সেটাও তুলে ফেলেছি। তবে রাত ৮টার পর যেন না হয় সেটা বড় কথা।

কোনো প্রার্থী তথ্য গোপন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তার সদস্য পদ বাতিল হবে। এর আগেও যেকোনো সময়েই অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নিবে নির্বাচন কমিশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।