• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর রাজার ছেলে রাজা হবে, এ রাজনীতি আমরা ভেঙে দিতে চাই: শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি : সময় চেয়েছে বিসিবি, অনড় ক্রিকেটাররা

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। সবশেষ গতকাল (বুধবার) তার ক্রিকেটারদের বেতন নিয়ে করা মন্তব্যে ক্ষিপ্ত তাদের সংগঠন কোয়াব। প্রতিবাদে তারা বিসিবির এই পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করেছেন। আজ (বৃহস্পতিবার) বিপিএলের ম্যাচ শুরুর আগে দাবি না মানলে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটেরও হুমকি দিয়েছে কোয়াব।

বিশ্বকাপ না খেললে বিসিবি থেকে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে গতকাল বিসিবি পরিচালক নাজমুল বলেন, ‘বিসিবির হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। ক্রিকেটাররা খেললে ম্যাচ ফি পায়। ম্যাচসেরা হলেও (আলাদা ফি) পায়, পারফরম্যান্স অনুযায়ী পায়। এটা শুধুই ক্রিকেটারের পাওয়া। বোর্ডের লাভ-ক্ষতি নেই। অন্তত এই বিশ্বকাপের জন্য। ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, আমরা যে ওদের পেছনে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা কি ওই টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি?’

তার ওই মন্তব্যের পর রাতে কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন সাংবাদিকদের সঙ্গে এক জুম মিটিংয়ে যুক্ত হয়ে জানিয়েছেন, ‘একজন দায়িত্বরত বোর্ড পরিচালক কখনোই এভাবে কথা বলতে পারেন না। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উনার পদত্যাগ চাচ্ছি। যদি এম নাজমুল ইসলাম আগামীকাল বিপিএল ম্যাচের আগে পদত্যাগ না করেন, তাহলে কোনো ধরনের ক্রিকেট খেলবে না ক্রিকেটাররা।’

মিঠুন ঘোষণা দেওয়ার পরই রাতভর ক্রিকেটারদের টিম হোটেলে বৈঠক করেছেন বিসিবির কয়েকজন পরিচালক। তবে সেখানে কোনো সমাধান মেলেনি, ক্রিকেটাররা তাদের সিদ্ধান্তে অনড়। বিপরীতে, বিসিবির পরিচালকরা কেবল আশ্বাস দিয়েছেন, যা মানতে নারাজ ক্রিকেটাররা। আজ সকালে মোহাম্মদ মিঠুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মিঠুন জানান, ‘আমরা আগের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছি এবং সেভাবেই থাকব। উনি (নাজমুল) থাকাকালীন মাঠে নামার সুযোগ নেই, সকল ক্রিকেটার একাত্মতা পোষণ করেছে এটার সঙ্গে। আজকের প্রথম ম্যাচ যদি খেলা না হয় এরপর আমরা একটা সংবাদ সম্মেলন করব। সেখানে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।