• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্ত বিসিবির ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু তারেক রহমানের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হতে পারে বিপিএল রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু কাল, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা পদত্যাগ করেননি নাজমুল, মাঠে নামেননি ক্রিকেটাররা; বন্ধ স্টেডিয়ামের গেট নাজমুলকে বিসিবির শোকজ, বার্তা দিলো ক্রিকেটারদেরও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ বিকেলে বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি : সময় চেয়েছে বিসিবি, অনড় ক্রিকেটাররা ‘চূড়ান্ত আসন সমঝোতা’, ১১ দলের বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা আজ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক

‘চূড়ান্ত আসন সমঝোতা’, ১১ দলের বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা আজ

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ আসন সমঝোতা নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) পৃথক বৈঠক করেছে। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে যৌথ বৈঠকে বসবেন ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এরপর আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

বিকেল বা সন্ধ্যা নাগাদ ১১ দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন। সেখান থেকেই কোন দল কতো আসনে সমঝোতা করছেন সেটির চূড়ান্ত জানানো হবে।

১১ দলের মধ্যে অন্তত ৪টি দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন,  মঙ্গলবার বৈঠক হয়েছে। তারাও বসছে, আমরাও বসছি। মোটামুটি সব কিছু ইতিবাচক। আগামীকাল সকালেই আমরা সংবাদ সম্মেলনের বিষয়টি জানিয়ে দেবো।

তিনি বলেন, যৌথ সংবাদ সম্মেলন হবে। তার আগে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বসবেন। এরপর চূড়ান্ত ঘোষণা।

আসন সমঝোতায় কোন দল কতো আসন পাচ্ছেন সে ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনেই খোলাসা করা হবে বলে জানান তিনি। আসন সমঝোতার জোটে শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থাকছে কিনা জানতে চাইলে ডা. তাহের বলেন, এখন পর্যন্ত ইতিবাচক। এটুকুই আপাতত বলছি। কালই জানতে পারবেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায় নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান জানিয়েছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে, বহুল প্রতীক্ষিত ১১ দলের চূড়ান্ত আসন তালিকা ঘোষণা করা হবে আগামীকাল ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, বুধবার বিকেল ৪:৩০, ইনশাআল্লাহ।’

একই বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বৈঠকে বসেছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তবে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বৈঠক শেষ হয়নি। তাই এই বৈঠকে অংশ নেওয়া কোনো নেতার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। কেউ মুঠোফোনের কল রিসিভ করেননি।

রাতে ক্ষুদে বার্তায় দলীয় মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ জানান, বৈঠকে আছি।

তবে দলটির যুগ্ম সম্পাদক শেখ ফজলে বারী মাসুদ মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমকে জানান, আসন সমঝোতা নিয়ে রাতে একটি মিটিং চলছে। এ ছাড়া, রাতে আরও একটি চূড়ান্ত বৈঠক রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামীকালই হয়তো চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে। সংবাদ সম্মেলন কখন হবে, সেটিও আজ রাতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যোগাযোগ করা হলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আসন সমঝোতা হচ্ছে। যেটি নিয়ে দ্বিধা ছিল সেটি ছুটছে। কাল যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। সেই সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।

তিনি বলেন, সব দলের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। কথাবার্তা চলছে। কাল বুধবার ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আগে বৈঠক করবেন। সেখানে চূড়ান্ত করার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা কালই গণমাধ্যমকে সব জানিয়ে দেবো।

এর আগে, সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছিলেন, আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির এ কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি চলছে। ২১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের বিষয়টি সুরাহা হয়নি। জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা আগামীকালের ভেতরে দাওয়াত পাবেন, না হলে পরশুদিন। সবার সামনে আমরা একসঙ্গে আসবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।