• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

পাকিস্তানেই তৈরি হয় বিশ্বকাপের কয়েক হাজার ফুটবল

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২

ফুটবল বিশ্বকাপের মুখ্য বিষয় হলো বল। আর এসব বিশেষ বল প্রতিবারই আসে পাকিস্তানের শিয়ালকোট থেকে। বিশ্বকাপে ব্যবহৃত বলের তাই বিশেষত্বও আলাদা। আর প্রতিবারের মতো এবারও বিশ্বকাপের জন্য কয়েক হাজার ফুটবল ব্যবহৃত হচ্ছে। ম্যাচ ছাড়াও অনুশীলনের ক্ষেত্রে প্রতিটি দলের জন্য বরাদ্দ থাকে বল।

খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় কিট, বল, জার্সি সবকিছুই সরবরাহ করে ফিফার স্পন্সর কম্পানি অ্যাডিডাস। আর অ্যাডিডাসের সাথে পাকিস্তানের ফরোয়ার্ড স্পোর্টস কোম্পানি প্রায় ২০ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। ২০১৪ সাল থেকেই প্রত্যেকটি বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হচ্ছে ফরোয়ার্ড স্পোর্টসের বানানো ফুটবল। এ নিয়ে ফরোয়ার্ড স্পোর্টসের পরিচালক হাসান মাসুদ খাজা বলেন, কলোনিয়াল শাসনের সময় থেকেই আমাদের এখানে স্পোর্টস সরঞ্জাম উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়। আমরা আমাদের কোম্পানি শুরু করেছি ১৯৯১ সাল থেকে। এখানকার মানুষের ধরনই খুব দ্রুত কাজ শিখতে সাহায্য করে। আমাদের আবহাওয়া ও প্রকৃতিও সাহায্য করে সেরা বলগুলো তৈরি করতে। অ্যাডিডাসের সাথে আমরা দীর্ঘ দিন কাজ করেছি। ২০১৪ সালে আমরা প্রথম বিশ্বকাপের জন্য অর্ডার নিশ্চিত করি।

এখানকার মানুষ বিশ্ব পর্যায়ে নিজের কাজ দেখে খুবই গর্বিত। যদিও সারা দিন কাজ করার পর ফুটবল ম্যাচ দেখার ফুসরত মেলে না তাদের। তাই নিজের বানানো বলে মেসি-নেইমারদের স্পর্শ আর দেখা হয় না তাদের। এই কোম্পানির বল তৈরির এক কারিগর বলেন, আমরা সারাদিন কাজ করি। রাতে বাসায় যাওয়ার পর আমাদের বিশ্রাম নিতে হয়। তাই ফুটবল ম্যাচ দেখার একদমই সময় পাই না। তবে আমরা খুবই গর্বিত, আমাদের তৈরি করা বল সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা আমাদের বলের মান আরও উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নিজেদের বানানো বল দিয়ে বিশ্ব আসরে খেলছে অন্য দেশ। বিশ্বের ফুটবল জগতের অন্যতম বড় এ আসরে নেই নিজেদের দেশ পাকিস্তানে নাম। তাই শিয়ালকোটের মানুষের স্বপ্ন, তাদের বানানো বলেই একদিন বিশ্ব মাতাবে পাকিস্তান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।