• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

আরএমপি’র অভিযানে রাজশাহীতে ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার; উদ্ধার হেরোইন-ইয়াবা

Reporter Name / ১৭৮ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাটাখালী ও দামকুড়া থানা পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইন ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ০১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাটাখালী থানা পুলিশ কাটাখালী বাজারস্থ বিদ্যুৎ অফিসের সামনে রাজশাহী থেকে বাঘাগামী সোনারবাংলা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বাসের বাম পাশের প্রথম সারির আসনের উপরে থাকা মালামাল রাখার তাক থেকে একটি শপিং ব্যাগ হতে ৬০ (ষাট) গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত মাদকের মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বাসের চালক, হেলপার ও উপস্থিত যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও কেউ এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উদ্ধারকৃত আলামতের জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

অপরদিকে একই তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে দামকুড়া থানা পুলিশ জাংগালপাড়া এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনা করে কাশিয়াডাঙ্গা থানার নগরপাড়া গ্রামের মো: আব্দুর রশিদের ছেলে মো: ইমামুল ইসলাম ইমন (৩০) এবং একই থানার নবগঙ্গা গ্রামের মো: আবুল কালামের ছেলে মো: আরিফ আক্তার (২৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইমনের হেফাজত থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত আসামি আরিফের হেফাজত থেকে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে এবং উদ্ধারকৃত হেরোইন সংক্রান্ত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হেরোইনের প্রকৃত মালিককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।