• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি-যুবদল নেতাসহ ১৪ জনকে আসামি করে মামলা

Reporter Name / ৯২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বাউফলে বিএনপি ও যুবদলের ১৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলা

পটুয়াখালীর বাউফলে এক খামারিকে অপহরণ, নির্যাতন এবং তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে পৌর বিএনপির এক নেতাসহ যুবদলের ১৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭–৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে বাদীপক্ষের আইনজীবী বজলুল হক বাদল মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোমবার (৬ জুলাই) পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিমের আদালতে ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন মৃধা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে দিয়েছেন।

মামলার বাদী নাসির উদ্দিন মৃধা বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন কৃষক ও গরুর খামারি।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে পটুয়াখালী শহরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকা থেকে নাসির উদ্দিনকে অপহরণ করে বাউফলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে তার হাত-পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা কলেজ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে।

বাদী নাসির উদ্দিন মৃধা দাবি করেন, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং নিজ এলাকায় ফিরে যেতে পারছেন না।

অন্যদিকে, মামলায় অভিযুক্ত পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ পলাশ, দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজ অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তাদের দাবি, মামলার বাদী নাসির উদ্দিন দাশপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সমর্থক। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানি করতেই তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা কোনোভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।