• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মেরিনোর শেষ মুহূর্তের গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে শেষ আটে স্পেন

Reporter Name / ৬৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর ইনজুরি টাইমের গোলে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্পেন।

ডালাসের এটিএন্ডটি স্টেডিয়ামে ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন মেরিনো।

এই ম্যাচের মাধ্যমে পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারও শেষ হয়ে গেল।

৭০ হাজার ৬৪৯ জন দর্শকে পরিপূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডালাস কাউবয়েজে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি কাগজে-কলমে যতটা আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল বাস্তবে ততটা রোমাঞ্চ ছড়াতে পারেনি।

ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেসের চমৎকার একটি পাস বাড়ান মেরিনোর উদ্দেশে। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে মেরিনো গোল করে স্পেনকে জয় উপহার দেন।

এর মাধ্যমে ৪১ বছর বয়সি রোনালদোর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি তিক্ত পরিণতিতে শেষ হয়। বর্তমানে সৌদি আরবে খেলা রোনালদো ম্যাচের আগের দিনই নিশ্চিত করেছিলেন, এটাই হবে ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ।

দুই প্রতিবেশী দেশই অপরাজিত অবস্থায় এই ম্যাচে নেমেছিল। তবে পর্তুগাল খুব একটা দাপুটে ফুটবল খেলতে পারেনি, অন্যদিকে স্পেন পুরো টুর্নামেন্টে একটি গোলও হজম করেনি।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত স্পেন এই ম্যাচের পরও সেই রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল।

ঐতিহ্য, প্রতিভা ও ইতিহাসে সমৃদ্ধ হলেও স্পেন এখন পর্যন্ত মাত্র একবার, ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে। অন্যদিকে পর্তুগালের সেরা সাফল্য ১৯৬৬ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন।

রোনালদো এবং স্পেনের ১৮ বছর বয়সি লামিন ইয়ামালকে ঘিরে শেষ ষোলোর এই লড়াইকে ক্যারিয়ারের দুই ভিন্ন প্রান্তে থাকা দুই অসাধারণ প্রতিভার দ্বৈরথ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল।

ম্যাচের ১০ মিনিটে স্পেনের এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। ডানি ওলমোর বাড়ানো বল থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।
পর্তুগাল অধিনায়ক রোনালদোর নেয়া একটি শক্তিশালী শট দক্ষতার সঙ্গে ঠেকিয়ে দেন স্পেন গোলরক্ষক উনাই সাইমন।

কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তের স্পেন এরপর চাপ বাড়ায়। ইয়ামাল ও এ্যালেক্স বায়েনার পরপর দুটি শটে দিয়োগো কস্তাকে ব্যস্ত রাখে। বিশেষ করে দ্বিতীয় শটটি অসাধারণ দক্ষতায় রক্ষা করেন কস্তা।
ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা রোনালদোকে পুরো ম্যাচে প্রভাব ছিল সীমিত।

প্রথমার্ধের শেষদিকে পর্তুগালই বেশি আক্রমণাত্মক ছিল। কোচ রবার্তো মার্টিনেজের দল গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল, নুনো মেন্ডেসের শট স্পেনের ফুল-ব্যাক পেড্রো পোরো মাথা দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে নিজের ক্রসবারে লাগান। এ যাত্রা কোনোমতে রক্ষা পায় স্পেন।

ইয়ামাল পুরো ম্যাচে নুনো মেন্ডেসের বিপক্ষে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তবে ৫৬ মিনিটে চোট পেয়ে মেন্ডেস মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন, যা পর্তুগালের জন্য বড় ধাক্কা ছিল।

রবার্তো মার্তিনেজ ৭১ ও ৮৩ মিনিটে দুটি করে পরিবর্তন আনলেও রোনালদোকে মাঠেই রাখেন।
শেষ পর্যন্ত সতর্ক ও রক্ষণাত্মক এই ম্যাচে শেষ হাসি হাসেন আর্সেনাল মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।