• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৪৬ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় মহানগরজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা ও বোয়ালিয়া থানার যৌথ অভিযান এবং রাজপাড়া থানার একক অভিযানে মোট ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- রাজশাহী জেলার বাঘা থানার ভানুকর (মীরগঞ্জ) এলাকার মো: আবেদ আলীর ছেলে মো: মোশারফ হোসেন (৪২)। রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা নিমতলা মোড় এলাকার মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে মো: আকবর আলী (৩২); একই থানার ডিঙ্গাডোবা মোজাম্মেলের মোড় এলাকার মৃত রতনের ছেলে মো: সাকিব ওরফে অন্তর (২৬); একই থানার দাশপুকুর আলীর মোড় এলাকার মো: ফজলু রহমানের ছেলে মো: সিফাত হোসেন ওরফে কাউসার (২৪); একই থানার দাশপুকুর এলাকার মো: আক্কাস আলীর ছেলে মো: নাসির উদ্দীন (৩৫)।

গত ০৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক পৌনে ৯ টায় চন্দ্রিমা থানার চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে চন্দ্রিমা থানা ও বোয়ালিয়া মডেল থানার সমন্বয়ে একটি যৌথ টিম অভিযান পরিচালনা করে মোশারফকে আটক করে। অভিযানে আসামির হেফাজত হতে ২,০৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩৯,০০০ টাকা এবং ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

একই দিন, গত ০৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯ টায় রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে রাজপাড়া থানা পুলিশের একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে আসামি আকবর, সাকিব, সিফাত, নাসিরকে আটক করে। অভিযানকালে আসামিদের হেফাজত হতে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক প্যাকেটজাত করার কাজে ব্যবহৃত ৪টি কাঁচি এবং ৪টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোশারফের বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি ফৌজদারি মামলা; সাকিব ও সিফাতের বিরুদ্ধে ১টি করে মাদক মামলা; নাসিরের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ও জুয়া আইনে ১টি করে মামলা চলমান রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় মহানগরজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী মহানগরীতে মাদক নির্মূলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।