• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

ইরাকে আকাশছোঁয়া পশুর দাম; কোরবানি নিয়ে দুশ্চিন্তায় সাধারণ মানুষ

Reporter Name / ৪১ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ইরাকে কোরবানির পশুর দাম আকাশছোঁয়া। এবার ঈদে কোরবানি দেয়া অনেক পরিবারের পক্ষেই সম্ভব হয়ে উঠছে না। শুধু পশু নয়, নিত্যপণ্যের দামও নাগালের বাইরে চলে গেছে ইরাকিদের। পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে খরচ বেড়েছে পশু লালন পালনেও। মাংস ও গবাদিপশুর জন্য তাদের নির্ভর করতে হয় আমদানির ওপর।

ঈদুল আজহার উপলক্ষে একটু কম দামে কোরবানির পশু খুঁজতে নাজেহাল অবস্থায় পড়ছেন ইরাকি ক্রেতারা। ইরাকি বাজারে সাধারণত স্থানীয় ভেড়া ও দুম্বার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। একটি মাঝারি আকারের ভেড়ার দাম ৫ থেকে সাত লাখ ইরাকি দিনার। বড় আকারের গরু বা মহিষের দাম কয়েক মিলিয়ন দিনার ছাড়িয়ে গেছে।

ইরাকি ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘যেই ভেড়া আগে ২ লাখ ইরাকি দিনারে কেনা যেতো এখন সেটির দাম ৬ লাখ দিনার। ৪ লাখ দিনার নিয়ে এসে হাটে ঘুরছি।’

স্থানীয় বাজারের তথ্য অনুযায়ী, পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য , আমদানি করা পশুর স্বল্পতা এবং পর্যাপ্ত সরকারি পশুখাদ্য সরবরাহ না থাকায় এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। খামারিরা বলছেন, পশুখাদ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় পশু লালন-পালনের খরচ বেড়েছে অনেকগুণ।

খামারিদের একজন বলেন, ‘পশুখাদ্যের দাম বাড়ায় কোরবানি পশুর দাম এবার বাড়তি। এছাড়া, পশুখাদ্যের সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে।’

এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী খরা ও পানির সংকটে কমছে চারণভূমি। যা সংকটে ফেলেছে পশু লালন-পালনেও। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে পশু আমদানি কমে যাওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আকাশছোঁয়া দামের কারণে অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার এককভাবে কোরবানি দিতে পারছে না । ভাগে কোরবানি দেয়া এবং ছোট পশু কেনার দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। ইরাকের বিভিন্ন শহর যেমন বাগদাদ, বসরা এবং নাজাফের কোরবানির হাটগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বাজারের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।