• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডার’ গড়বে ভারত

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। ড্রোন, রাডার, স্মার্ট ক্যামেরা ও উন্নত নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার সীমান্তকে আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

শুক্রবার (২২ মে) নয়াদিল্লিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তার একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। খবর হিন্দুস্থান টাইমসের।

অমিত শাহ বলেন, ‘ভারত সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের সীমান্তকে স্মার্ট বর্ডারে রূপান্তরের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। আগামী এক বছরের মধ্যে সব ধরনের প্রযুক্তি একত্র করে দুর্ভেদ্য সীমান্ত নিরাপত্তা গড়ে তোলার কাজ চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুব শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ড্রোন, রাডার, আধুনিক ক্যামেরা ও অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন স্মার্ট বর্ডার প্রকল্প চালু করবে। এটি বাস্তবায়িত হলে বিএসএফের কাজ আরও সহজ ও শক্তিশালী হবে।’

প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার সদস্যের বিএসএফ বাহিনী ভারতের পশ্চিমে পাকিস্তান ও পূর্বে বাংলাদেশের সীমান্ত পাহারা দেয়। ১৯৬৫ সালে বাহিনীটি গঠন করা হয়।

অমিত শাহ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘উদ্বেগের কারণ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে এসব সীমান্ত রক্ষা করা সম্ভব নয়।

তার ভাষায়, এসব সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ, গবাদিপশু পাচার, জাল ভারতীয় মুদ্রা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো হুমকি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতের হুমকি শনাক্ত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সীমান্তের ওপার থেকে কৃত্রিম জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের যে চেষ্টা চলছে, তা ঠেকানো আমাদের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার শুধু অনুপ্রবেশ বন্ধই নয়, বরং দেশে থাকা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

অমিত শাহ জানান, সীমান্ত নিরাপত্তায় এখন রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী, সেনাবাহিনী, মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো, গোয়েন্দা সংস্থা ও রাজ্য প্রশাসনের সমন্বিত কাজ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের সরকার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে সমন্বয় জোরদারে খুব শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।