• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুর-কুমিল্লা রুটে বাস চলাচল বন্ধ

Reporter Name / ৩২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যাত্রীবাহী বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের শ্রমিকদের ওপর অতর্কিত হামলা ও বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার প্রতিবাদ এবং জানমালের নিরাপত্তার দাবিতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছেন ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

বুধবার (২০ মে) রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখাল বাজার সংলগ্ন একটি স্কুল মাঠে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শ্রমিকদের দাবি, রাতের আঁধারে একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মাঠে পার্কিং করা বাসগুলোর ওপর হঠাৎ চড়াও হয়। তারা একে একে অন্তত ১৫টি বাস ভাঙচুর করে এবং বাধা দিতে গেলে প্রায় ২০ শ্রমিককে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে চাঁদপুর কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, চাঁদপুর-কুমিল্লা রুটের কোনো বাস টার্মিনাল ছেড়ে যায়নি। আকস্মিক এই বাস ধর্মঘটের কারণে সকাল থেকেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। তবে চাঁদপুর থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য রুটের দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

হামলায় আহত ও চিকিৎসাধীন শ্রমিকরা জানান, স্কুলমাঠে রাতে বাসের ভেতর তারা ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় আচমকা একদল সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা ও রামদা নিয়ে হামলা চালায়। তারা বাসের জানালার কাচ ও বডি ভাঙচুর করার পাশাপাশি চালক ও হেলপারদের বেধড়ক মারধর করে।

বোগদাদ পরিবহনের সুপারভাইজার ইউসুফ ও ওমর ফারুকসহ কয়েকজন শ্রমিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অপরাধীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় আমাদের এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভাঙচুর ও হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং রুটে চলাচলের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের কোনো গাড়ি রাস্তায় নামবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।