• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

সিলেটে হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

Reporter Name / ৩৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ সিলেটে সন্দেহজনক হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯২ জন শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। বর্তমানে বিভাগজুড়ে ২৮১ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন শিশুর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম।

মৃত শিশুদের মধ্যে রয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ছয় মাস বয়সি ইশিতা কাহের। সে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বড়বাড়ি সামরাবাজার এলাকার নয় মাস বয়সি সুস্মিতা এবং সিলেট সদর উপজেলার পীরমহল্লা এলাকার নয় মাস বয়সি লাবিবা শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো ল্যাব কনফার্ম হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৪৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ৭৫ জন, সিলেটে ৪২ জন, হবিগঞ্জে ১৬ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। হবিগঞ্জের আক্রান্তদের মধ্যে দুজন রুবেলায়ও আক্রান্ত ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া ৯২ রোগীর মধ্যে ২৯ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ২৫ জন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ১৫ জন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে, ৫ জন মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে, ৫ জন বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ৪ জন হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালেও কয়েকজন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২৮১ রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৭ জন রয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়া শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৭০ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৪৮ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৯ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম উপসর্গে ৩৬ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে।

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম বলেন, ‘সন্দেহজনক হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।