• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে আরএমপি’র মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৮৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী মহানগরীতে রাজপাড়া থানা, শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ি, বোয়ালিয়া থানা, কাশিয়াডাঙ্গা থানা, কেশবপুর পুলিশ ফাঁড়ি, এবং কাটাখালী থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার কামারপাড়া গ্রামের মৃত মোখলেসুর রহমানের ছেলে মো: জাহিদ হাসান জনি (২২); রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার বর্ণালী মোড় গ্রামের রিপনের ছেলে হৃদয় (১৯); একই থানার পাঠানপাড়া গ্রামের মৃত নিমরোজ আলীর ছেলে মো: সাব্বির হোসেন ওরফে রাসেল (৩৭); কাশিয়াডাঙ্গা থানার কাশিয়াডাঙ্গা বাগানপাড়া গ্রামের মৃত পাঞ্জাব ওরফে পানুর ছেলে সুরমান আলী (৩০) ও দামকুড়া থানার হরিপুর বনপাড়া গ্রামের মৃত আক্তার আলীর ছেলে মো: সাজমুল হক সাজু (৩২); বোয়ালিয়া থানার সুজানগর (শিল্পিপাড়া) গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে মো: আজিমুদ্দিন (৫৫) এবং কাটাখালী থানার কাকাইলকাটি গ্রামের মো: জয়দুল ইসলামের ছেলে মো: সম্রাট (২২)।

গতকাল ১৮ মে ২০২৬ তারিখ আরএমপির বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির পৃথক পৃথক মাদক বিরোধী অভিযানে ৭ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে রাত আনুমানিক ২ টার দিকে রাজপাড়া থানার দাশপুকুর এলাকা থেকে জনিকে, রাত আনুমানিক পৌনে ১ টার দিকে বোয়ালিয়া থানার কাদিরগঞ্জ এলাকা থেকে হৃদয়কে, রাত আনুমানিক সোয়া ১১ টার দিকে একই থানার পাঠানপাড়া এলাকা থেকে রাসেলকে; বিকেল আনুমানিক ৪ টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা মোড় এলাকা থেকে সুরমান ও সাজুকে; সন্ধ্যা আনুমানিক পৌনে ৭ টার দিকে একই থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকা থেকে আজিমুদ্দিনকে এবং কাটাখালী থানার নওদাপাড়ার পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে সম্রাটকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেহ তল্লাশি করে মোট ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০ গ্রাম গাঁজা এবং ০.৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গ্রেপ্তারকৃত আসামি আজিমুদ্দিনের বিরুদ্ধে আরএমপি’র কাশিয়াডাঙ্গা ও রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানায় মোট ২ টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।