• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার গাজীপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ৪৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ স্মৃতি ও উন্নয়নের এক মেলবন্ধনে বৃহস্পতিবার (২১ মে) গাজীপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো গাজীপুর জেলাজুড়ে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি, সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে অভূতপূর্ব উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল আকর্ষণ বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি সফিপুর আনসার একাডেমিতে আয়োজিত এই রাষ্ট্রীয় কুচকাওয়াজ ও জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন এবং বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন।

আনসার একাডেমির অনুষ্ঠান শেষে বিকেলে প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের গাছা এলাকায় এক ঐতিহাসিক উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা করবেন। তিনি সেখানে ‘জাতীয় দুর্যোগ ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুর্যোগ মোকাবিলা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এ ধরনের বিশেষায়িত ভবন বাংলাদেশে এটাই প্রথম। এই ইনস্টিটিউট দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গাজীপুরের মাটিতে মিশে আছে শৈশব ও পিতার কর্মময় স্মৃতি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর এক আবেগ ও ইতিহাস। গাজীপুরের এই মাটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার শিশুকালের মধুর স্মৃতি।

একইসঙ্গে এ শহরে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বাবা আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানই প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে গাজীপুরকে ঢাকা জেলা থেকে আলাদা করে নতুন ‘মহকুমা’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি নিজে উপস্থিত থেকে সেই ঐতিহাসিক মহকুমা ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন।

১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গাজীপুরকে মহকুমা ঘোষণা করে এই অঞ্চলের মানুষের আত্মপরিচয় ও উন্নয়নের যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই জেলা একটি অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক হাবে পরিণত হয়েছে।

শহীদ জিয়ার সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কারণে গাজীপুরের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে তার পরিবারের প্রতি রয়েছে এক গভীর আত্মিক টান এবং আজন্ম কৃতজ্ঞতা। ফলে, আগামীকাল তাদেরই সন্তান ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সর্বস্তরের জনতা।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে গাছা ও সফিপুরসহ পুরো গাজীপুর মহানগরীকে নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে, আগামীকালের এই সফরটি গাজীপুরবাসীর জন্য এক ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।