• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

জমে উঠছে রাজশাহীর কোরবানির পশুর হাট

Reporter Name / ৩৮ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীতে হাজার কোটি টাকার গবাদিপশু বেচাকেনার আশা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে জমতে শুরু করেছে উত্তরের সিটি হাটসহ স্থানীয় হাটগুলো। তবে খাবারের দাম বাড়ায় গবাদিপশুর আশানুরূপ দাম পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় খামারিরা।

ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীতে কোরবানির পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। গ্রাম থেকে শহর সবখানেই এখন খামারিদের ব্যস্ততা।

রাজশাহীতে ছোট বড় খামার আছে ২৬ হাজার ২৩৪টি। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বেচাকেনা। খামার থেকে গরু কিনে ব্যাপারীরা তা নিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

একজন খামারি বলেন, ‘কেজি যদি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা আমরা এ কুরবানিতে যদি না পাই, তাহলে আমরা খামারিরা মানে লসে পাতে হবে।’

এদিকে, জমজমাট হতে শুরু করেছে উত্তরের সর্ববৃহৎ সিটি হাটসহ স্থানীয় পশুর হাটগুলো। গরু তো সব জায়গা থেকে আসে। রাজশাহী, বাগমারা, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর থেকে সব জাতের গরু আসে বলে জানান খামারিরা।

রাজশাহী জেলাতেই চলতি বছরে এক হাজার কোটি টাকা গবাদিপশু বেচাকেনা হবে বলে আশা করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতোয়ার রহমান বলেন, ‘প্রতিবছর যে লাভবান হয়, এ কারণেই কিন্তু আমাদের খামারিরা প্রতিবছর এ গরু লালন-পালনে কুরবানির জন্য যোগ্য করে তোলার উৎসাহিত পদ— উৎসাহিত হন। এর পিছনের কারণটা হচ্ছে, একটা সময় আপনারা জানেন যে ভারত থেকে গরু আসতো। এতে খামারিরা লোকসানের মুখে পড়তো। সেই আশা করি সেই ধারা আর ফিরবে না এবং বর্তমান সরকার আরও বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে এবার।’

 

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর রাজশাহী জেলাতে গবাদি পশু মজুত আছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১১টি। যেখানে গরুর সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৮৪১টি, মহিষ ৩ হাজার ৪২৫টি, ছাগল- ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৯টি, ভেড়া ৪৩ হাজার ৪০৬টি।

 

রাজশাহীতে এ বছর গবাদি পশুর চাহিদা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৮ টি। উদ্বৃত্ত থাকছে ৯০ হাজারের অধিক পশু।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।