• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ কিমের

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের দক্ষিণ সীমান্তকে ‘অভেদ্য দুর্গে’ পরিণত করার এবং একই সঙ্গে সামনের সারির সেনা ইউনিটগুলোকে আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

রোববার অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক সামরিক বৈঠকে কিম জং উন এ নির্দেশ দেন।

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) কর্তৃক প্রকাশিত একটি ছবিতে তাকে পূর্ণ সামরিক পোশাক পরিহিত শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা যায়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সামরিক কর্মকর্তাদের বলেন, যুদ্ধ প্রতিরোধে ‘বড় ধরনের পরিবর্তন’ আনা হবে। একই সঙ্গে তিনি কমান্ডিং কর্মকর্তাদের ‘প্রধান শত্রু’ সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আরও কঠোর ও স্পষ্ট করার নির্দেশ দেন। বিশ্লেষকদের মতে, এখানে ‘প্রধান শত্রু’ বলতে দক্ষিণ কোরিয়াকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

কেসিএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ প্রতিরোধকে আরও কার্যকর করতে সামনের সারির ইউনিট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীকে সামরিক ও প্রযুক্তিগতভাবে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন কিম জং উন।

তিনি এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

কিম জং উন আরও বলেন, দক্ষিণ সীমান্তে সামনের সারির ইউনিটগুলোকে আরও শক্তিশালী করে সীমান্তকে ‘অভেদ্য দুর্গে’ রূপান্তর করা হবে।

কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হং মিন বলেন, কিম জং উনের এই নির্দেশনায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে পাওয়া সামরিক শিক্ষার প্রতিফলন রয়েছে।

ওই যুদ্ধে উত্তর কোরিয়া সেনা পাঠিয়ে মস্কোকে সহায়তা করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এই বক্তব্যে ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে দেখা ড্রোন যুদ্ধ, নির্ভুল হামলা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও বহু-মাত্রিক যুদ্ধক্ষেত্রের বিষয়গুলো এখন উত্তর কোরিয়ার সামরিক পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

হং মিন আরও বলেন, কিমের পরিকল্পনায় স্থল, নৌ ও আকাশসীমার বাইরে পানির নিচে, মহাকাশ, সাইবার ও ইলেকট্রনিক ক্ষেত্রকেও যুদ্ধ কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।