• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

গণভোট বাস্তবায়ন, পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে রাজশাহীতে ১১ দলের সমাবেশ ১৬ মে

Reporter Name / ৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে আগামী ১৬ মে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ‘১১ দলীয় ঐক্যর’ উদ্যেগে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মসূচিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার নগরীতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বেলা ১২টায় নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় অবস্থিত আমানা ফুড ভিলেজের হল রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৬ মে দুপুর ২ টায় শুরু হবে এ সমাবেশ। রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় দুই লক্ষ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমাবেশ সফল করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ নানামুখী সংকটে জর্জরিত। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব, কৃষকের দুর্দশা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, পরিবহন সমস্যাসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। এসব সমস্যা থেকে উত্তরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে তিনটি মৌলিক দাবি তুলে ধরেন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা। তারা বলেন, গণতন্ত্রে জনগণই মূল শক্তি। জনগণের মতামত ও রায়কে সম্মান জানিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা উচিত। জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের রায় বাস্তায়নের কোনো বিকল্প নেই।

পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, এ অঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পানির ন্যায্য বণ্টন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, ১৬ মে’র সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দাবি আদায়ের আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহব্বায়ক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর আমির ড. মাওলানা কেরামত আলী, মহানগরী সেক্রেটারি ডা. ইমাজ উদ্দিন মন্ডল, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাহবুবুল আহসান বুলবুল, মো. শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রাজশাহী মহানগরের সভাপতি মুফতি জুবায়ের হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি রাজশাহী মহানগরের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।