• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাড়ছে হামের সংক্রমণ; আক্রান্তের অধিকাংশই ঢাকার বাহিরের

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ দেশে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর ডিএনসিসি হাসপাতালে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ১০৬ জন শিশু, মারা গেছে একজন। চিকিৎসকদের দাবি, ভর্তি হওয়া রোগীদের প্রায় ৭০ শতাংশই ঢাকার বাহিরের। প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সংকট, দেরিতে রোগ শনাক্ত হওয়া এবং টিকার বাইরে থাকা শিশুর সংখ্যাই পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

 

সারা দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে হামের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এমনকি বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ড চালুর কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তবে রাজধানীর মহাখালীতে ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালের চিত্র বলছে ভিন্ন বাস্তবতার কথা। কোলে জ্বরাক্রান্ত শিশু, চোখে আতঙ্ক আর দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় ছুটে আসছেন অভিভাবকেরা। তাদের অভিযোগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না থাকায় বাধ্য হয়েই রাজধানীমুখী হতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন চিকিৎসা পেতে দেরি হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও।

অসুস্থ শিশুর অভিভাবকরা জানান, হাসপাতালে শিশুকে নিয়ে আসার পরও কোনো উন্নতি দেখছেন না তারা। প্রায় ১ মাসের বেশি অসুস্থ থাকার পরও সুস্থ হচ্ছে না শিশু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এখানে ভর্তি হওয়া প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীই ঢাকার বাইরের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুরা দেরিতে হাসপাতালে আসছে। যেখানে অনেক শিশুই এখনো টিকার আওতার বাইরে।

মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালের এডমিন অফিসার ডা. আসিফ হায়দার বলেন, ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাচ্চাগুলো দেখা যাচ্ছে হয়তো খেতে পারছে না। ডিহাইড্রেটেড থাকছে বাচ্চাগুলো, একদমই খেতে পারছে না। সঙ্গে হচ্ছে সর্দি, কাশি, কারো কারো শ্বাসকষ্টও থাকছে। ঢাকার ভেতর থেকে যে রোগীগুলো আসছে সেগুলো মোটামুটি আমাদের আর্লি আমরা আসতে পারছি। বাট ঢাকার বাইরে থেকে যে রোগীগুলো আসছে তারা বেশিরভাগই দেখা যাচ্ছে একটু দেরিতেই আসছে আমাদের কাছে।’

চিকিৎসকরা আরও বলছেন, টিকা নেওয়া থাকলেও অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই শিশুদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, ‘একটি বাচ্চাকে টিকা নেওয়ার পরে তার শরীরে ইমিউনিটি তৈরি হতে সময় লাগে তিন থেকে চার সপ্তাহ বা তারও বেশি লাগতে পারে। কিন্তু সেটা কতটুকু করবে, কতটুকু সময়ের মধ্যে এটা হবে এবং কত পারসেন্ট মানে কতটুকু মাত্রায় এটা হবে তা কিন্তু অনেক ফ্যাক্টরের ওপর ডিপেন্ড করে। এর মধ্যে সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট ফ্যাক্টর হচ্ছে তার পুষ্টি। পুষ্টিহীন যদি বাচ্চাটি অপুষ্ট থাকে, তাহলে সে বাচ্চাটি কিন্তু একটি টিকা দেয়ার পরেও তার যে কাঙ্ক্ষিত যে ইমিউনিটিটা, যে প্রোটেকশনটা পাওয়ার কথা, সেই প্রোটেকশনটা কিন্তু তৈরি নাও হতে পারে।’

ডিএনসিসি হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১০৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এ সময়ে একজন শিশুর মৃত্যুও হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।