প্রবাসী কার্ডে কী কী সুবিধা থাকছে? (Benefits of Probashi Card)
এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে বৈধভাবে রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীরা বেশ কিছু অভাবনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। কার্ডের মূল সুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
দ্রুত ইমিগ্রেশন: কার্ডধারী প্রবাসীরা বিমানবন্দরে দ্রুত ইমিগ্রেশন (Fast Immigration) সুবিধা পাবেন।
নিরাপত্তা ও সুরক্ষা: দেশে অবস্থানকালে প্রবাসীদের জানমালের নিরাপত্তা এবং তাদের সম্পদের সুরক্ষা (Asset Protection) নিশ্চিত করা হবে।
লজিস্টিক সাপোর্ট: যারা বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাবেন, তাদের জন্য আনুপাতিক হারে বেশি লজিস্টিক সাপোর্ট (Logistic Support) দেওয়া হবে।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল প্রবাসে মারা গেলে সরকারি খরচে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার একটি প্রবাসীবান্ধব নীতি (Migrant-Friendly Policy) গ্রহণ করেছে এবং প্রবাসীদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে আনার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে কাজ চলছে।
প্রবাসীরা যাতে দেশে এসে প্রতারিত না হন, সেজন্য সরকার একটি নিরাপদ বিনিয়োগ পরিবেশ (Safe Investment Environment) নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এছাড়া ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট (Direct Flights) চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিষয়টি কিছুটা সময়সাপেক্ষ হলেও সরকার এটি নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
সরকার এখনো আবেদনের চূড়ান্ত গাইডলাইন বা পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেনি, তবে সাধারণত প্রবাসী কার্ড বা সমজাতীয় সরকারি সুবিধার জন্য নিম্নলিখিত নথিপত্র প্রয়োজন হতে পারে:
- পাসপোর্টের কপি: বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্টের তথ্য।
- এনআইডি (NID) কার্ড: জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি।
- রেমিট্যান্সের প্রমাণ: বৈধ পথে (ব্যাংকিং চ্যানেল) টাকা পাঠানোর অন্তত গত কয়েক মাসের রশিদ বা স্টেটমেন্ট।
- বিএমইটি (BMET) স্মার্ট কার্ড: জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো থেকে দেওয়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড।
- ছবি: আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।





















