• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার নিশ্চিতের দাবীতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল জব্দ রাজশাহীতে নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগমারার পরিত্যক্ত গাওড়া বিল পরিষ্কারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের ২৭ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি আবু সাঈদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে একজন গ্রেপ্তার, ২ মোবাইল জব্দ রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

শপথের পরই ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ফ্রি ও নারী সুরক্ষা বাহিনীর ঘোষণা বিজয়ের

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ  তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর প্রথম দিনেই জনকল্যাণমুখী কয়েকটি বড় সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেতা ও রাজনীতিক  সি জোসেফ বিজয়। তার প্রথম সরকারি নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা, মাদক নির্মূলে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন এবং নারীদের সুরক্ষায় একটি ডেডিকেটেড বাহিনী ও হেল্পলাইন চালু করা। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আজ (রোববার, ১০ মে) জমকালো অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণের পর এক আবেগঘন বক্তৃতা দেন তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান বিজয়। ভক্তদের উদ্দেশে তার চিরচেনা সেই ‘এন নেনজিল কুদিয়িরুক্কুম’ (আমার হৃদয়ে যারা বাস করেন) বলে বক্তব্য শুরু করেন তিনি। নিজেকে একজন সহকারী পরিচালকের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিজয় বলেন, ‘আমি কোনো রাজকীয় পরিবার থেকে আসিনি। দারিদ্র্য আর খিদে কী জিনিস, তা আমি জানি। অনেক অপমান আর কষ্ট সহ্য করে আজ এখানে পৌঁছেছি।’

বিজয় তার বক্তৃতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুপেয় পানির মতো মৌলিক বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার অঙ্গীকার করেন।

তিনি বলেন, ‘কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সব ধরনের দেখাশোনা করা হবে। সবকিছু ভালো হবে।’ এ সময় তিনি ডিএমকে সরকারের রেখে যাওয়া ১০ লাখ কোটি রুপি ঋণের বোঝা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা জনগণের তহবিলের একটি পয়সাও নষ্ট হতে দেব না এবং কাউকে লুটপাটের সুযোগ দেবো না।’

বিজয় তার এই রাজনৈতিক যাত্রায় সমর্থনের জন্য কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ বাম ও অন্য মিত্রদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, টানা ৬০ বছর পর ডিএমকে ও এআইএডিএমকে—এই দুই দ্রাবিড় শক্তির বাইরে কেউ তামিলনাড়ুর ক্ষমতায় বসল। বিজয়ের টিভিকে একক বৃহত্তম দল হলেও ম্যাজিক ফিগার ১১৮ ছুঁতে কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, ভিসিকে ও আইইউএমএলের সমর্থন নিতে হয়েছে। বর্তমানে ১২০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে এই জোটের।

বিজয়ের মন্ত্রিসভায় আরও নয়জন সদস্য শপথ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিজয়ের বিশ্বস্ত কৌশলী আধভ অর্জুনা, সাবেক বিজেপি নেতা সিটিআর নির্মল কুমার, টিভিকে সাধারণ সম্পাদক ‘বুসি’ আনন্দ, জনপ্রিয় টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব রাজ মোহন এবং ২৮ বছর বয়সী মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য এস কীর্তনা। আগামী ১৩ মে’র মধ্যে বিজয় সরকারকে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ বা ফ্লোর টেস্টের মুখোমুখি হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।